দিনাজপুর সংবাদাতাঃ হেমন্তের সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে কাশফুলের শুভ্রতায় সিঁদুর রাঙা আমেজ নিয়ে আসছে শারদীয় দুর্গাপূজা। ৪ অক্টোবর শুক্রবার ষষ্ঠী পূজা দিয়ে শুরু হবে এবারের দুর্গোৎসব। হাতে সবে আর একদিন। বেশি সময় নেই, তাইতো প্রতিমা সাজানোর পাশাপাশি এ উৎসবকে কেন্দ্র করে এখন চলছে কেনাকাটা।

শেষ সময়ে এসে জমে উঠেছে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে পূজোর বাজার। শহরের ফ্যাশন হাউজ ও মার্কেটগুলো সেজেছে পূজোর পোশাকে। পূজা চলবে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে, তাই মাত্র একটি পোশাকে কী হয়?

এদিকে পূজা উপলক্ষে কাপড়ের মার্কেট ও বিপণী বিতানের দোকান বা শো-রুমে লাল-সাদার সালোয়ার-কামিজসহ বিভিন্ন উজ্জ্বল রঙের পোশাক রয়েছে। আরো আছে সালোয়ার-কামিজের শাড়ি, ফতুয়া ও উজ্জ্বল রঙের ওড়না। ছেলেদের জন্যে এসেছে বাহারি সব ডিজাইনের ধুতি ও শর্ট পাঞ্জাবি। বিক্রিতে পিছিয়ে নেই জুতা, তৈরি পোশাক ও প্রসাধনী দোকানগুলো।

এবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাজারে এসেছে এপেঙ্, বাটা, ওরিনসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নতুন নতুন ডিজাইনের জুতো। শারদোৎসবের পোশাকে লাল শক্তির আর সাদা শুভ্রতার প্রতীক হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে আসছে।

বিক্রেতারা জানান, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির জন্য দিনের বেলা তেমন ক্রেতা আসে নি তবে সন্ধায় পরে ক্রেতা উপস্থিতি বেশি ছিল আর আজকে রোদ হওয়ার কারণে সকাল থেকেই বেচা-বিক্রি বেশ হচ্ছে।
এবার পূজায় শাড়ি, থ্রী-পিচ ও কাটা থ্রী-পিচ বিক্রি ভালই যাচ্ছে। জামদানি, বালুচুরী ও কাতান শাড়ির চাহিদা বেশি।
শিশুদের পোশাকেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন।

কেনাকাটা করতে আগত ক্রেতা দিপালী রানী ঘোষ জানান, পূজার শাড়ি মানেই লাল পাড়ে সাদা শাড়ি।তাই দশমীর জন্যে লাল-সাদা সিল্ক শাড়ি কিনেছেন।

বুধবার শহরের মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সনাতনী পরিবারের লোকজন পূজার কেনাকাটার জন্যে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে যাচ্ছেন আর পছন্দ অনুযায়ী কেনাকাটা করছেন এবং সমান তালে মেয়েরা ভিড় করছেন শাঁখা-সিঁদুরের দোকানে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য