দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বীরগঞ্জ উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের ঝাড়বাড়ী থেকে কাশিমনগর যাওয়ার ৩ কিলোমিটার সড়ক এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্ষাকালে সড়কে বৃষ্টির পানি জমে এমনভাবে কাদার সৃষ্টি হয় দেখে মনে হবে চাষ ক্ষেত। সড়কটি পাকাকরণের জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানিয়ে এলেও কেউ তাদের দাবির প্রতি ভ্রুক্ষেপ করছে না।

আর সড়কে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। ঝাড়বাড়ীর দেলোয়ার মেম্বারের মোড় হতে কাশিমনগর আশ্রায়ণ, কাশিমনগর আদিবাসী পাড়া গ্রামের শেষ পর্যন্ত সড়কটি ৩ কিলোমিটার বেহাল অবস্থা। সড়কটিতে চলতে গিয়ে প্রতিদিন নাকাল হতে হচ্ছে এ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের। আবার সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে ভরা সড়ক দুটিতে পানি জমে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চলাচলরত সাধারণ মানুষ ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

পাশাপাশি বেহাল এই সড়কে প্রায়ই স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা চলাচলের সময় খানা-খন্দে পড়ে তাদের জামা-কাপড় নষ্ট হচ্ছে। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে এই ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। ঝাড়বাড়ী কলেজের শিক্ষার্থী মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন আমাদের এই সড়ক দিয়ে কলেজে যাতায়াত করতে হয়।

আসা-যাওয়ার সময় যখনই এই পথটুকুর কথা মনে পড়ে, তখনই মনটা খারাপ হয়ে যায়। বিরক্তি আর তিক্ত অভিজ্ঞতা এখানে আমাদের। জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় এসে এ সড়কটি পাকা করে দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু আজও তা করা হয়নি। আমাদের এ এলাকার শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যান যদি সড়ক পাকা করে দিত, তাহলে আমাদের এতো কষ্ট পোহাতে হতো না।

কাশিমনগর গ্রামের বাসিন্দা হিরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, কাচা এ সড়কে প্রতিদিন আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পৌঁছাতে হচ্ছে। এব্যাপারে এলাকাবাসী দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য