আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের মৎস্যজীবি সমিতির লিজকৃত জলমহালে প্রতিপক্ষ কর্তৃক মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা বিবরণে জানা যায়, উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের মরাদাতেয়া মৌজার ১নং খতিয়ানভূক্ত দাগ নং-১২৪৯ জমির পরিমাণ ৯.৩৭ একর আলশিয়ার বিল সরকারি বিধি মোতাবেক লিজ গ্রহণ করেন হরিনাথপুর ইউনিয়ন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি।

যাহা সরকারি দরপত্র অনুযায়ী তিন বছরের জন্য ৩ লাখ ৩শ’ টাকা এবং ৬০ হাজার টাকা জামানত হিসেবে পরিশোধ পূর্বক চাষ করে আসছেন বাদী পক্ষ। কিন্তু আসামীপক্ষ ওই বিলে অন্যায় ভাবে জবর দখল করে মাছ ধরার চেষ্টা করে। এতে বাদীপক্ষ মৎস্যজীবি সংখ্যলুঘু পরিবাররা বাঁধা প্রদান করলে প্রতিপক্ষের দ্বারা তারা হামলার শিকার হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছে। ওই মামলায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাছ চুরির অভিযোগ করা হয়েছে।

উল্লেখ; গত ১৮ আগষ্ট ২০১৯ তারিখে দুপুর ১২ ঘটিকায় দুর্বৃত্তের হামলায় আহত হয়েছে মরাদাতেয়া মৌজায় অবস্থিত হরিনাথপুর ইউনিয়ন মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শ্রী ধীরেন্দ্রনাথ চন্দ্র দাসসহ দু’জন। এ ব্যাপারে একই ইউনিয়নের হরিনাথপুর (আলসিয়াপাড়ার) জাহিদুল ইসলাম, জাফর আলী ও আইয়ুব আলীকে বিবাদী উল্লেখ পূর্বক ৪জনকে স্বাক্ষী করে পলাশবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ হলেও তা এজাহারভূক্ত না হওয়ায় পরবর্তীতে গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী আমলী আদালতে পৃথক মামলা দায়ের করেন মরাদাতেয়া গ্রামের মৃত নররাম দাসের পুত্র শ্রী ধীরেন্দ্র নাথ চন্দ্র। বিজ্ঞ আদালতের বিচারক শুনানি অন্তেÍ এ মামলাটি সিআর হিসেবে আমলে গ্রহণ করেন (যার নং-২২৫/১৯)।

বাদীপক্ষ দাবী করেন বলেন, তারা প্রতিপক্ষের ভয়ে ওই বিলে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না। ওই বিলে মাছ ধরে বিক্রি করে তারা তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন।

এদিকে বিবাদীপক্ষ বলেন, তারা তাদের পৈত্রিক জমিতে মাছ ধরে। কিন্তু বাদীপক্ষ তাদের বাঁধা প্রদান করলে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেজবাউল হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। যদি এরকম কোন অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য