হিলি (দিনাজপুর) সংবাদাতাঃ আগামী ২৮ অক্টোবর মহালয়া ও ৪ অক্টোবর মহাষষ্টীর মাধ্যমে শুরু হবে হিন্দু ধর্মাম্বলীদের বৃহৎ এই দূর্গোৎসব দিনাজপুরের হাকিমপুরে মন্দিরে মন্দিরে বেশ জোরে সোরেই প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করেছে কারিগাররা। আর তাই শিল্পীরা রং তুলি দিয়ে ফুটে তুলছে প্রতিমার উজ্বলতা। হাকিমপুর এলাকা জুড়ে ২০টি শারদীয় দুর্গাপুজার প্রায় সব মন্দিরে প্রতিমা রংগের কাজ শুরু করেছে রং শিল্পীরা।

হিন্দু ধর্মবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গোৎসব,প্রতি বছরই এলাকা উৎসব মুখরিত হয়ে ওঠে। পূজা উদযাপনের ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা । তারা আশা করেন সীমান্তে এবারও সারদীয় দুর্গাপুজা হবে উৎসব মুখর পরিবেশে।

রং শিল্পী রাজ কুমার বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমরা ৬ টি পুজাা মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ হাত পেয়েছি।সব মন্দিরে পুজা তৈরির কাজ শেষ করেছি।সেই সাথে রংয়ের কাজও শুরু করেছি।তিনটি মন্দিরে রংয়ের কাজ শেষ।আশা করছি আগামী ৫-৬ দিনের মধ্যে প্রতিমার রংয়ের কাজ শেষ করে বাড়ী ফিরবো।

রং মিস্ত্রি সুশান্ত কর্মকার বলেন,শরদীয় দুর্গাপুজা আমাদের ধর্মীয় উৎসব।আমরা মনের আনন্দে রং-বেরং দিয়ে প্রতিমাগুলোকে মনের মত করে রাঙ্গিয়ে দিচ্ছি।

পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন মন্ডল জানায়, এবারে দর্শনার্থীদের অনুরোধেই প্রতিমার আকার বড় করা হয়েছে, আর এ কারনে প্রতিমা তৈরিসহ আনুসাঙ্গিক বিভিন্ন উপকরনের বাজেট বাড়িয়ে দিয়েছেন উদযাপন কমিটি।
দর্শনার্থীদের আগমন বেড়ে ওঠে। গেলো বারের চেয়ে আয়োজন বাড়ানো হয়েছে। সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে পুজা উদযাপন করতে পারবেন তারা।

হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন উর-রশিদ হারুন বলেন-এ উপজেলার মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়। আমরা সবসময় অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। বিগত দিনের মতো এবারো শারদীয় দূর্গা উৎসব নির্বিঘ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহন হয়েছে। পূজা দেখতে আসা মহিলাদের কেউ যদি উত্যক্ত করে কিংবা মেয়ে বা মহিলারা যদি ইভটিজিং-এর শিকার হন তবে অভিযুক্তদের তাৎক্ষনিক আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার স্বার্থে সকলের প্রতি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহবান জানিয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য