ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ আর মাত্র ৭ দিন বাকি। তার পরেই শুরু হবে সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গা পূজা। দেবী দূর্গা এবারে আসবেন ঘোটে (ঘোড়া) চড়ে,আবার ঘোটে (ঘোড়া) চড়েই সকলকে কাঁদিয়ে চলে যাবেন।

এই উৎসব কে ঘিরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার ৩৩ টি মন্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির শেষ পর্যায়ের কাজ। দেবীর আগমন উপলক্ষে দিনরাত পরিশ্রম করে চলছে মৃৎ শিল্পীরা। তাদের নিপুন হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে এক একটি অসাধারণ সুন্দর প্রতিমা।

মৃৎ শিল্পী সংকর বর্মন বলেন, হাতে সময় খুব অল্প। তাই আমরা তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি। প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ, ফিনিশিং এর কাজ বাকি আছে। ফিনিশিং শেষ করে রং করা শুরু করব।

ঘোড়াঘাট উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কার্তিক চন্দ্র সরকার ও সাধারন সম্পাদক জগদিশ চক্রবর্তী জানান, এই বৎসর ঘোড়াঘাট উপজেলায় মোট ৩৩টি দূর্গা মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর ভিতর পৌর এলাকায় ১১টি মন্ডপে ও উপজেলায় বুলাকীপুর,পালশা,সিংড়া ইউনিয়নে ২৩টি মন্ডপে দূর্গা পুজা অনুষ্ঠিত হবে। জাঁকজমক পূর্ণ ও বড় আকারের পূজা হবে ঘোড়াঘাট পৌরসভার বড়গলি দূর্গা মন্ডপ,কাদিম নগর,বানিয়াপাড়া, ও উপজেলার রানীগঞ্জ বাজার,চাঁদপাড়া বাজার,গোপালপুর,।

ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম জানান, বিগত বৎসর গুলোতে অনেক অপ্রতিকর ঘটনা ঘটেছে। সেই সব কথা মাথায় রেখে সনাতন ধর্মালম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে উপজেলায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। যেকোন বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও কাজ করবে।

সু-শৃঙ্খল ভাবে এই অনুষ্ঠান শেষ করার জন্য আমরা উপজেলার সব কয়টি মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটিকে দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়েছি। ঘোড়াঘাট উপজেলার হিন্দু বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক সাংবাদিক মনোরঞ্জন মোহন্ত ভূট্টু জানান প্রতিটি মন্ডপে কমিটির পক্ষে থেকে স্বেচ্ছা সেবক নিয়োগ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী সদস্যদের কে স্বেচ্ছা সেবক সদস্যারা সহযোগিতা করবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য