কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সরকারীভাবে একমাত্র পাট ক্রয় কেন্দ্র ছিল জেটিসি। উপজেলার ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নে সাদ্দাম মোড়ে’র সন্নিকটে এ প্রতিষ্ঠান অবস্থিত।

জেটিসি নামের প্রতিষ্ঠানটি নাম পরিবর্তন করে একসময় আদমজী জুট মিল ভূরুঙ্গামারী শাখা হয়েছিল। কিছুদিন ঐ নাম ধারণ করেও প্রতিষ্ঠানটি কৃষক ও ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে ন্যায্য মূল্যে পাট ক্রয় করেছিল।

পরবর্তীতে আদমজী নাম পরিবর্তন করে ‘লতিফ বাওয়ানী’ নামকরণ করা হয়। এ উপজেলার কৃষকদের পরিতাপের বিষয়; জেটিসি কখন ব্যক্তি মালিকানায় বিক্রয় হয়েছে তা কৃষক সমাজের জানা নেই।

এ প্রতিষ্ঠানটি এখন ব্যক্তি মালিকানায় দখল। শামছুল হক ভূইয়া নামে ‘ভূইয়া এ- হক কন্সট্রাকসন’ সাইনবোর্ডে মালিক সেজে কে বা কোন ভূইয়া এ প্রতিষ্ঠানটি দখল করে আছেন? বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের ২৭ শতক জমি প্লট আকারে বিক্রয়ের জন্য সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।

পরবর্তীতে আরও কয়েকটি প্লটে সম্পূর্ণ জায়গা বিক্রয় হবে বলে জানা গেছে। সেখানে দুটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। নম্বর দুটি হচ্ছে ০১৭১২৯৭৯৭৮৩ এবং ০১৭৫০৯৩৪৪০৬ উপজেলায় দশটি ইউনিয়েনের হাজার হাজার পাট চাষী এখন পাটের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না।

চলতি মৌসুমে ওই পাট ক্রয় কেন্দ্রে পাট খরিদ না করায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকের নিকট থেকে কম মূল্যে পাট খরিদ করছে এবং দূরের ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় করে ফায়দা লুটে নিচ্ছেন।

পক্ষান্তরে কৃষকরা চরম হতাশায় ভুগছেন ও পাট চাষে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। উপজেলার ‘জেটিসি’ নামের একমাত্র পাট ক্রয় কেন্দ্রটি পুনরায় সরকারীভাবে পাট ক্রয়ের প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিগনিত হোক, এটা এলাকার কৃষকদের প্রাণের দাবী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য