আগামী অক্টোবরে চালু হবে কুড়িগ্রাম-ঢাকা সরাসরি আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস। বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাট ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার মোহাম্মদ শফিকুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রেলমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অক্টোবরের মাঝামাঝি আমরা কুড়িগ্রাম-ঢাকা সরাসরি একটি আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

কুড়িগ্রাম জেলার মানুষের বহুল কাঙ্ক্ষিত এ আন্তঃনগর ট্রেনের নামকরণ ঠিক করতে বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জেলার মানুষদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সুদীপ্ত কুমার সিংহ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কবে থেকে ট্রেন চালু হরে এমন প্রশ্নের জবাবে সুদীপ্ত কুমার বলেন, ‘আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ট্রেনটি চালু হতে পারে।’

তবে নির্দিষ্ট তারিখ বলতে পারেননি বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাট ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার মোহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখনও ট্রেন চালুর নির্দিষ্ট তারিখ পাইনি। তবে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় ট্রেনটি চালু হবে এটি নিশ্চিত।’

ট্রেন সার্ভিসটি আপাতত কুড়িগ্রাম থেকে সরাসরি ঢাকাগামী হলেও চিলমারী উপজেলার মানুষের জন্য একটি শাটল ট্রেন চালু থাকবে বলে জানান এই বিভাগীয় ম্যানেজার। তবে আগামীতে লাইন সংস্কার করে সরাসরি চিলমারী থেকে ট্রেনটি চালানো হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

চালু হতে যাওয়া আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিসটির নামকরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব জেলাবাসী। কেউ কেউ ট্রেন সার্ভিসটির নাম ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ কেউবা ‘ধরলা এক্সপ্রেস’ আবার কেউ কেউ ‘ভাওয়াইয়া এক্সপ্রেস’ রাখার দাবি জানিয়েছেন। আন্তঃনগর ট্রেনের দাবি করা সংগঠন রেল,নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির পক্ষ থেকে ট্রেন সার্ভিসটির নাম ‘ভাওয়াইয়া এক্সপ্রেস’ রাখার জোর দাবি জানিয়েছে।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভাপতি নাহিদ হাসান নলেজ বলেন, ‘ভাওয়াইয়া কুড়িগ্রামের ঐতিহ্য। কুড়িগ্রাম জেলার ব্র্যান্ডিংয়ে ভাওয়াইয়া কথাটি বলা আছে। আন্তঃনগর ট্রেনটির নাম ভাওয়াইয়া এক্সপ্রেস রাখা হলে আমাদের জেলা একটি সাংস্কৃতিক জেলা হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি লাভ করবে।’

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য