গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চাচিয়া মীরগঞ্জ (বকুলতলা) গ্রামে যৌতুক না পেয়ে শ্বাসরোধ করে স্ত্রীকে হত্যা করেছে পাষন্ড স্বামী।

জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ তারাপুর ইউনিয়নের চাচিয়া মীরগঞ্জ বকুলতলা গ্রামের আব্দুল মালেক ওরফে লেবুর মেয়ে সুন্দরগঞ্জ কারীগরি মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রী মৌসুমী আক্তার মৌমিতা ওরফে লতা (১৮) এর সাথে একই উপজেলার পূর্ব সোনারায় গ্রামের আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে নুর মোহাম্মদ নয়ন (২৩) এর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবীতে নয়ন তাঁর স্ত্রী মৌসুমী আক্তার মৌমিতা ওরফে লতার উপর শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।

গত ২০ সেপ্টেম্বর যৌতুকের টাকা নেওয়ার জন্য শ^শুরালে যায় নয়ন। ওই দিন শ^শুর মতিন বাড়িতে না থাকায় সেখানে থেকে যান সে। এর পর ২২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে লতা নাওয়া-খাওয়া সেরে স্বামী নয়নকে নিয়ে পিত্রালয়ে পশ্চিম দুয়ারী শয়ন ঘরে ঘুমায়।

আজ সোমবার ভোরে লতার পরিবারের লোকজন মেয়ে জামাইয়ের খোঁজ নিতে গিয়ে শয়ন ঘরে মেয়ে লতার লাশ দেখতে পায়।

পারিবারিক সূত্র থেকে জানায় মুখে বালিশ চাপা অবস্থায় পাওয়া যায় লতার মৃত দেহ। পাষন্ড স্বামী নয়ন ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ নিয়ে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান লতার মা গোলেনুর বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য