মোঃ জাকির হোসেন, সৈয়দপুর(নীলফামারী) প্রতিনিধি॥ সৈয়দপুরে রেলওয়ের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উন্নয়নের স্বার্থে উচ্ছেদ করা হবে। আরসিসি পিলার দিয়ে উচু উচু ভবন নির্মান করা হলে সেগুলো গুড়িয়ে দেয়া হবে। সরকারের চেয়ে বড় কেউ নয়।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সৈয়দপুরের রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাবে সাংবাদিককের প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন এসব কথা বলেন।

এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন রেল মন্ত্রনালয়ের সচিব মো: মোফাজ্জেল হোসেন, মহাপরিচালক মো: শামছুজ্জামান, মহা ব্যবস্থাপক (পশ্চিম) হারুন অর রশিদ, নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী, রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক মো: জয়দুল হক, রেলওয়ের এসপি সিদ্দীকী তাঞ্জিলুর রহমান, বিভাগীয় এস্টেট অফিসার (পাকশী) মো: নুরুজ্জামান প্রমূখ।

তিনি আরো বলেন, সরকার রেলওয়ের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ঢাকা থেকে সড়কের পাশাপাশি রেলওয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। বিশ্বের অনেক দেশে রেল যোগাযোগ বিমানের সমমানে উন্বীত করা হয়েছে। আমরাও ইলেকট্রনিক ট্রেন চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি।

ট্রেনের গতি ১৫০ থেকে ২০০ কি:মি: বাড়নো হবে। এর ফলে সৈয়দপুর থেকে ঢাকা যেতে আড়াই থেকে ৩ ঘন্টা সময় লাগবে। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ভেতরে একটি আধুনিক শপ স্থাপন করা হবে। শ্রমিক সংকট দূর করতে আরো নিয়োগ দেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, রেলওয়ের জমিতে যেসব ব্যক্তি অবৈধ্য স্থাপনা গড়ে তুলে মালিক সেজে ভাড়া আদায় করছেন তাদের উচ্ছেদ করা হবে। জমির মালিক যেহেতু রেল তাই লিজ নিতে হলে রেলের কাছ থেকেই বৈধ্যভাবে নিতে হবে।

রাজস্ব বাড়াতে দখলদার মুক্ত করে রেলওয়ের জমিগুলোর দখল বুঝে নেয়া হবে। যারা জমি দখল করে সেই জমির জন্য লিজ চান তারা ৪০ বছর ধরে কোথায় ছিলেন। যারা রেলওয়ের জমিও বাসাবাড়ি দখল করে বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমি রেল মন্ত্রী, কারো কথায় রেলওয়ের অবৈধ্য স্থাপনা উচ্ছেদ বন্ধ হবেনা। আগামী ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর সৈয়দপুরের অবৈধ্য স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য