হংকংয়ে শনিবারের বিক্ষোভে আগের দিনই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই শনিবার হংকংয়ের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। এতে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেন। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। খবর: বিবিসি ও রয়টার্সের।

নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে শুক্রবারই শনিবারের বিক্ষোভকে নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু শনিবার বিকালেই চীনা লিবারেশন আর্মি এবং সরকারি ভবনের মাঝের স্থানে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। ছাতা নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন গণতন্ত্রকামীরা।

পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভাকারীরা ইট এবং পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেন। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারগ্যাস, রাবার বুলেট এবং গরম পানি ছুড়ে। এই সময় ছাতা দিয়ে নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করেন বিক্ষোভে অংশ নেওয়া লোকেরা। ওয়ানচি বার এবং রেস্টুরেন্ট ডিস্ট্রিক্টে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয় বলে জানা গেছে। সেখান থেকে কয়েক জনকে গ্রেফতারও করা হয়। হংকংয়ের মূল তিনটি রাস্তা আটকে রাখা হয়। এর ফলে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

সরকারি এক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, নতুন করে রাজনৈতিক সংস্কার সমাজকে আরো কলুষিত করবে। আর এটা হবে একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। এতে আরো বলা হয়, সংবিধান সংক্রান্ত যে কোনো আলোচনা হতে হবে আইনগত দিক বিবেচনা করে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই হতে হবে। গত ৯ জুন থেকে প্রত্যর্পণ বিল প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। প্রত্যর্পণ বিল ‘মৃত’ ঘোষণা করা হলেও বিক্ষোভ থামেনি। প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যামসহ ৫ দফা দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত আছে। শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের নেতা জশুয়া ওয়াংসহ কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ওইদিনই জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য