ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে গরম পানিতে ঝলসে যাওয়া গিতা রানী (৩০) নামে এক গৃহবধুর আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে সেখানকার পরিবেশ। ুধবার সদর হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডের ৯ নাম্বার বেডে তার চিৎকার সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করে।

জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পাশ্বর্তী দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার পলাশবাড়ী গ্রামের হরিপদ রায়ের স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী গিতা রানী।

গত মঙ্গলবার পারিবারিক কলহের জেরে হরিপদ রায়ের বড় ভাবি পার্বতী রানী গরম পানি ঢেলে দেয় গিতা রানীর শরীর উপরে। এ সময় তাকে সহায়তা করে পার্বতীর স্বামী ভোলাং, খদেয়া, খদেয়ার স্ত্রী কিরণ এবং থেগারু ও তার স্ত্রী সারথি। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বেলাল হোসেন গুরুতর আহত অবস্থায় গিতা রানীর ভাইদের নিয়ে তাকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

গিতা রানীর স্বামী হরপদ বর্মন বলেন, কাজের সন্ধানে বাড়ির বাহিরে ছিলাম। হঠাৎ বিকেলে খবর পাই; আমার স্ত্রীর শরীরে ভাই ভাবিরা মিলে গরম পানি ঢেলে দিয়েছে। তবে দীর্ঘদিন থেকে তাদের সাথে ঝগড়া বিবাদ চলে আসছিল। আমার স্ত্রীকে একা পেয়ে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের চিকিৎসক মঞ্জুর মোর্শেদ জয় জানান, আহত গিতা রানীর শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ ঝলসে গেছে। তার বুকের ডান পার্শ্বে ও কাধে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য