সংবাদ সম্মেলনঃ সংখ্যালুঘু সম্প্রদায়ের মানুষ হয়েও বিরলের ইউপি চেয়ারম্যান সাবুল চন্দ্র সরকার সন্ত্রাসী কায়দায় অসহায় আদিবাসীকে অন্ধকার ঘরে ৩দিন বন্দী রেখে চরম নির্যাতন নিপিড়ন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা ষ্টাম্পে স্বাক্ষরের অভিযোগে দিনাজপুরে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

শনিবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আদিবাসী নেতা স্বপন এক্কা। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ৯ আগষ্ট বিরলের ৮ নং ধর্মপুর ইউপি‘র চেয়ারম্যান সাবুল চন্দ্র সরকার তার ১০/১২ জন সন্ত্রাসীকে পাঠিয়ে জোরপূর্বক নিমতলা বাজার হতে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে থেকে ১১ আগষ্ট পযর্ন্ত অন্ধকার ঘরে ৩দিন বন্দী রেখে চরম নির্যাতন নিপিড়ন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা ষ্টাম্পে স্বাক্ষর করে নেয়।

চেয়ারম্যান ও তার লোকজন আমার সঙ্গে থাকা হিরো হোন্ডা মোটর সাইকেল ও স্যামসং মোবাইল ফোনটি কেড়ে নিয়েছে। পরবর্তীতে আমার স্ত্রী স্থানীয় সাংবাদিকের মাধ্যমে বিষয়টিকে ইএনও মহোদয়কে জানালে ইউএনও মহোদয়ের ফোনেই সে আমাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়, নইলে হয়তো বা সে আমাকে মেরেই ফেলতো।

ছাড়া পেয়ে এসে গত ১৪ আগষ্ট ২০১৯ আমি দিনাজপুরের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-৪(বিরল) ৯ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছি।

সংবাদ সম্মেলনে স্বপন এক্কা বলেন,শরত চন্দ্রের নিকট ১০ হাজার টাকা কর্জ নিয়েছিলেন অতুল চন্দ্র আমি ছিলাম স্বাক্ষী । এই টাকা সুদে আসলে ২০ হাজার টাকা পরিশোধও করেছে অতুল চন্দ্র অথচ এখন চেয়ারম্যান সাবুল মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়েছে যে আমরা শরতের পুত্র শ্রীবাসকে বিদেশ পাঠানোর নামে ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়েছি এছাড়াও আরো ৩ লাখ টাকা চাচ্ছি,এই অভিযোগটি সর্ম্পূন্ বানোয়াট ও মিথ্যা ।

ওই সাজানো ঘটনাকে কেন্দ্র করেই চেয়ারম্যান সাবুল আমাকে ৩দিন অন্ধকার ঘরে আটকে রেখে নির্মম ও নিষ্ঠুর নিপিড়ন করেছে। বর্তমানে সে চাইছে আমি ও আমার পরিবার পরিজন সহায়সম্পদ ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে গেলে সে আমার সম্পদ ভোগদখল করবে। সে আমাকে নানান কায়দায় দেশত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টা করছে আমি সরকারের কাছে এমন লোককে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবী করছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশন দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি তারক কবিরাজ,কিষানী সভা দিনাজপুর শাখার সভাপতি সাবিহা বেগম,প্রাক্তন ইউপি মেম্বার মাধব চন্দ্র সরকার ও অবাইদুর রহমান প্রমুখ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য