মেয়েদের স্তনের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা প্রচারের কাজটা দীর্ঘদিন ধরে চলছে, কিন্তু তা হলেও স্বীকার করতেই হবে যে এখনও অনেকটা পথ যাওয়া বাকি। স্তনের স্বাস্থ্য পরীক্ষাটা যে কোনও সচেতন মহিলা নিজেই করতে পারেন এবং কখনও কোনও সন্দেহ দেখা দিলেই দেরি না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

একেবারে প্রথমদিকে ধরা গেলে স্তনের ক্যানসারসহ আরও নানা সমস্যা সম্পূর্ণভাবে সারিয়ে ফেলা সম্ভব। তাই অবহেলা না করে স্তনের স্বাস্থ্য সম্পর্কে আজ থেকেই সচেতন হোন। আরও একটা কথা জানিয়ে রাখা জরুরি – কোথাও কোনও সমস্যা হয়েছে বুঝতে পারলে প্রথমেই টেনশনে ভেঙে পড়বেন না।

ক্যানসার ছাড়াও আরও নানা রোগের কারণে স্তনের আকারে পরিবর্তন আসতে পারে, তাই ডাক্তার না দেখিয়ে কোনও ব্যাপারেই নিশ্চিত হওয়া ঠিক না।

অঙ্কোলজিস্ট ডা. তাপ্তী সেন খুব সহজ কতগুলি উপায় বাতলে দিচ্ছেন স্তন পরীক্ষা করার। স্নানের পর বাথরুমের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সহজেই এই পরীক্ষাগুলি করতে পারবেন। যে পয়েন্টগুলি দেখা দরকার, তা হল:

১/ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে স্তনের দিকে সোজা তাকিয়ে দেখুন, তার আকারে কোনওরকম অস্বাভাবিকতা চোখে পড়ছে কী?
২/ দু’ হাত মাথার উপর তুলে দেখুন কোনও পরিবর্তন চোখে পড়ছে কিনা।
৩/ কোমরে হাত রেখে দাঁড়ান আয়নার সামনে। দেখুন স্তনের গঠনে কোনও পরিবর্তন আসছে কিনা।
৪/ চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন, দুটো হাত ছড়িয়ে দিন দু’পাশে। ডান হাত দিয়ে বাম স্তন ও বাঁ হাত দিয়ে ডান স্তন পরীক্ষা করুন। আঙুলগুলি রাখুন কাছাকাছি, এবার হাতের তালু দিয়ে পুরো স্তনের আনাচকানাচ খুঁজুন।
৫/ স্তনের পাঁচটি ভাগ আছে, আপার ইনার, লোয়ার ইনার, আপার আউটার, লোয়ার আউটার আর সেন্ট্রাল। পুরোটা খতিয়ে দেখুন। অস্বাভাবিকতা দেখলেই ডাক্তার দেখান।
৬/ স্তনবৃন্ত থেকে কোনও ক্ষরণ হলেও সাবধান হতে হবে।
৭/ প্রতি মাসে একবার এইভাবে চেকআপ করুন।
-ফেমিনা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য