দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুৃরের হাকিমপুর উপজেলার খট্রা মাধবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে রাস্তার ১শ টি বনজ গাছ চুরির মামলা করেছেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা শামসুল আলম। এই মামলায় পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে।

হাকিমপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ আনোয়ার হোসেন জানান, উপজেলার ১ নং খট্রা মাধবপাড়া ইউপির খট্রা মৌজার ঢেলুপাড়া গ্রামের পশ্চিম পার্শ্বে উত্তর দক্ষিনগামী কাঁচা রাস্তার দু’পাশের ইউক্লিপটাস ও আকাশমনির প্রায় ১শটি বনজ গাছ গতকাল শুক্রবার দুপুরে কাটার অভিযোগে ওই রাতেই ইউপি চেয়ারম্যানকে হুকুমের আসামী করে ৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন বন কর্মকর্তা।

মামলার আসামীরা হলেন- দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা সদরের মানিক মিয়া, হাকিমপুর উপজেলার বড়চড়া গ্রামের মামুন, সরঞ্জাগাড়ী গ্রামের এমদাদুল, হারুনুর রশিদ, মিনহাজুল, দবিরুল ইসলাম, রুবেল ইসলাম। মামলা নং ১৭ , তারিখ ৯-৮-১৯। এদিকে রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে হাকিমপুর উপজেলার সরঞ্জাগাড়ী গ্রামের হারুনুর রশিদ, মিনহাজুল ইসলাম, দবিরুল ইসলাম, রুবেল ইসলামকে আটক করেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান জানান, তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রি মহল দীর্ঘদিন থেকে ষড়যন্ত্র করে আসছে। উপজেলা বন কমিটিতে অবৈধ ভাবে গাছ কর্তনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয় এবং আমাকে বাদি হয়ে গাছ চোরদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার। কিন্তু কুচক্রি মহলের মদদে উল্টো আমাকে হুকুমের আসামী করে মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি ওই রাস্তার গাছ কাটার ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। পার্শ্ববর্তী বড়চড়া গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা এসএফপিসি, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুল আলম নিজেকে আড়াল করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে।

ওই রাস্তার কয়েকজন উপকারভুগি জানান, রাস্তাটিতে ১০৯ জন উপকার ভুগি রয়েছে। ঢেলুপাড়া গ্রামের জনৈক রশিদের নির্দেশে শ্রমিকরা ওই রাস্তার কয়েকটি গাছ কাটে। চেয়ারম্যানকে বিষয়টি আমরা অবগত করি চেয়ারম্যান আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই তাকে হুকুমের আসামী করে মামলা করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য