নীলফামারীতে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। তবে গত বছরের চেয়ে এ বছর কোরবানীর পশুর দাম চড়া হওয়ায় হাটে গিয়ে পশু ক্রয়ে মাথায় হাত পড়েছে ক্রেতার।

জেলার সৈয়দপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় হাট ঢেলাপীর, এরপর পার্শ্ববর্তী বেনীরহাট, পৌরসভা কর্তৃক প্রতি বছর কোরবানীর পশুর হাট বসলেও এ বছর তা বসেনি।

এদিকে কিশোরগঞ্জ হাট, জলঢাকার হাট, ডোমার ও ডিমলা উপজেলার হাট-বাজারগুলো জমে উঠেছে কোরবানীর গরু কেনা বেচায়। তবে গত বছরের চেয়ে এবার গরুর দাম আকাশ ছোয়া।

ভারতীয় গরু আমদানি না থাকায় হাটগুলোতে দেশীয় গরুতে ভরে গেছে। ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। হাটগুলোতে দেশীয় গরু আমদানি যেমন বেড়েছে তেমনি বাড়তে শুরু করেছে ক্রেতার সংখ্যা।

আর এর ফলে কোরবানীর গরু ছাগল ক্রয় নিয়ে ঘুরপাক খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। দাম বেশি হওয়ার কারণে এবার কোরবানীর সংখ্যা অনেক কমে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন অনেক ক্রেতা।

ওইসকল হাট ঘুরে দেখা যায়, গরু খাসীরও দাম এবার অনেকটা বেশি। এ হাটগুলোতে কোরবানীর গরু ও খাসির দাম দেখা গেছে গত বছরের চেয়ে দ্বিগুণ। গত বছর সাদা মাটা যে গরু বিক্রি হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা এ বছর তা ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে।

যে খাসি গত বছর ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিলো তা এবার ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরু ব্যবসায়ী মখলেছ, আব্দুল, বাবুল জানান, গত বছরের চেয়ে পশুর দাম এ বছর বেশি হওয়ায় তারা তেমন একটা লাভ করতে পারছেন না।

কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন পশুর দাম কম থাকলে তাদের লাভ বেশি হয়। তবে কোরবানীর পশুর হাট ভরে গেছে দালাল চক্রে। দালালদের কবল থেকে কোন ক্রমেই ক্রেতা বিক্রেতা রেহাই পাচ্ছে না। অনেক ক্রেতা জানান, তারা দালালদের খপ্পরে পড়ে পশু ক্রয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

ঢেলাপীর হাটে ক্রেতা মইনুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান ও মিন্টু জানান, গরুর দাম বেশি থাকায় আমরা গত হাটে গরু কিনতে পারিনি। আবার হাটে এসেছি গরু কেনার জন্য। সৈয়দপুর বণিক সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী জানান, কোরবানীর পশুর দাম উর্ধ্বমুখী থাকলে এবার কোরবানীর সংখ্যা কমে যেতে পারে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য