দিনাজপুর সংবাদাতাঃ কুরবানী ঈদের কয়েক দিন আগে গরু কিনলে লালন- পালনের ঝামেলা। তাই হাটে তেমন ক্রেতা সমাগম নেই। কিছু সংখ্যক ক্রেতা গরুর হাটে আসলেও কিনতে নয়, দাম যাছাই করতেই আসছেন। গরুর হাট জমে না ওঠার পিছনে এমন কথায় জানালেন, বীরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গোলাপগঞ্জ হাটে গরু বিক্রি করতে আসা মোহাজ্জম হোসেন।

এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী হাটগুলোর মধ্যে সপ্তাহে গোলাপগঞ্জ হাট, বীরগঞ্জ হাট এবং পার্শ্বতী উপজেলার কাহারোল হাট অন্যতম। গোলাপগঞ্জ হাট সোমবার ও বৃহস্পতিবার, রোববার, বুধবার ও কাহারোল বীরগঞ্জ পৌরসভা হাট ও শনিবার, মঙ্গলবার কাহারোল হাট বসে। এ হাটে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে কোরবানির পশু ক্রয়- বিক্রয় হয়। স্থানীয়রা এ হাট থেকেই কোরবানির পশু ক্রয় করেন।

এইসব হাটে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যবসায়ীরা গরু ছাগল ক্রয় করে ঢাকা-চট্রগ্রাম নিয়ে যায়। কিন্তু এবছর এখন পর্যন্ত তাদের দেখা মেলেনি। ফলে স্থানীয় বিক্রেতা ও ব্যাপরীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। সরেজমিনে গতকাল কাহারোল একাধিক হাট ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতাদের নজর কাড়তে নানা প্রয়াস চালাচ্ছেন ইজারাদাররা।চলছে হাটের আকর্ষণ বাড়াতে সাজগোছ। ক্রেতারা ঘোরাঘুরি করছেন। দাম যাচাই করছেন।

হাটে প্রচুর গরু উঠলেও কাঙ্খিত দাম না পাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিক্রেতারা। তবে কম দামে গরু বিক্রি করতে রাজি নন তারাও। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে গরু বেচাবিক্রিও তখন বাড়বে, হাট পুরোমাত্রায় জমে উঠবে, এমন মত দিলন অনেকেই। গোলাপগঞ্জ হাটে গরু দেখতে এসেছেন বীরগঞ্জ উপজেলার ব্যবসায়ী মকবুল হোসেন, সোহাগ ও শফিকুল। তারা জানান, বিক্রেতারা অতিরিক্ত দাম চাচ্ছেন। আগেভাগে গরু কিনলেও সমস্যা।

সামনে আরও অনেক হাট রয়েছে। তাই দাম পরখ করতেই মূলত হাট ঘুরছেন। কাহারোল উপজেলা হাটে গরু কিনতে আসা আবুল কাশেম জানান, তিনি দুপুর থেকে হাটে রয়েছে। গরু অনেক কিন্তু গরুর দাম সহনশীল পর্যায়ে থাকলেও ক্রেতা নেই। হাটে গরু অনেক, কিন্তু গরু বিক্রি হতে তেমন দেখেননি তিনি। স্থানীয় ব্যাপারী হাফিজুর জানান, ক্রেতাদের বাসা- বাড়িতে জায়গা সঙ্কটও হাট না জমার প্রধান কারণ কয়েক দিন পর ঠিকই জমবে হাট।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য