হঠাৎ করেই আধা সামরিক বাহিনী বৃদ্ধি করা হয়েছে কাশ্মীরে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে অমরনাথ তীর্থযাত্রা। সব পর্যটকদের ফিরে যেতে বলা হয়েছে। কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ইরফান পাঠানদেরও পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে সেখান থেকে। তাই কি হতে যাচ্ছে কাশ্মীর উপত্যকায়, এ নিয়ে রয়েছে উদ্বেগ আর আতংক। এক ধরনের থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে সেখানে।

স্থানীয় এক মাছ বিক্রেতা বলেন, ‘৪০ বছর ধরে মাছ বিক্রি করছি। মানুষকে এমন ভয় পেতে কখনও দেখিনি।’ শ্রীনগরের সরকারি স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী রিফাত জহান বলেন, ‘বাড়িতে বাবা-মা জিনিসপত্র কিনে রাখছে। কিন্তু কেন রাখছে জানি না।’

এ অবস্থায় কাশ্মীরের সাবেক মুখমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওম আব্দুল্লাহ দেখা করেছেন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের সঙ্গে। এরপর তিনি বলেন, ‘কেন্দ্র কেন অমরনাথ যাত্রী আর পর্যটকদের কাশ্মীর ছেড়ে যেতে বলল, তা নিয়ে সংসদে ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।

সরকার সংসদে ব্যাখ্যা দিলে তবেই দেশবাসী গোটা বিষয়টি বুঝতে পারবে। সরকারের বিভিন্ন নির্দেশ আলাদা আলাদাভাবে দেখলে তার একরকম অর্থ হচ্ছে। কিন্তু সব নির্দেশ একসঙ্গে পড়লে নানা প্রশ্ন উঠছে।’

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন ওমর এবং ফারুক আবদুল্লাহ। কিন্তু ওমরের দলের দাবি, তখন কাশ্মীরে কেন্দ্রের পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিছু জানাননি।

এদিকে কাশ্মীরকে ঘিরে দিল্লি সরকারের রহস্যজনক পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সর্বদলীয় সভা আহ্বান করেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি।

রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের অবশ্য দাবি, অনর্থক আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছুই ঘটেনি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য