এ কথা ঠিক, ফিট থাকার জন্য হাঁটার কোনও বিকল্প হয় না। বিশেষ করে যাঁরা সবে সুস্থ হওয়ার প্রচেষ্টা শুরু করেছেন, তাঁদের জন্য হাঁটা খুব ভালো এক্সারসাইজ। হাঁটার জন্য বাড়তি কোনও ইকুইপমেন্ট লাগে না, শুরু করা যায় যে কোনও বয়সে। ছোটখাটো কোনও শারীরিক অসুবিধে থাকলে হয়তো আপনি ভারী ব্যায়াম করতে পারবেন না, কিন্তু হাঁটার ক্ষেত্রে কোনও বাধা সাধারণত থাকে না।

তবে সেই সঙ্গে এটাও ঠিক যে হাঁটার আগে ও পরে কিছু স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ় করা উচিত সবারই। স্ট্রেচিং আপনার মাসলগুলিকে জাগিয়ে তোলে ব্যায়ামের আগে, শেষ হওয়ার পর বুলিয়ে দেয় আরামের স্পর্শ। যথাযথ নিয়ম মেনে স্ট্রেচিং করলে চোট পাওয়ার আশঙ্কা কমে, ব্যথা-বেদনাও কম হয়। শরীরের কোনও বিশেষ একটি জায়গার মাসল শক্ত হয়ে গেলে কিন্তু বাকি সর্বত্র তার প্রভাব পড়বে। তাই নিয়মিত হাঁটার সময় হিপ, লোয়ার ব্যাক, পায়ের পাতা, গোড়ালি, শিনবোনের স্ট্রেচ অবশ্যই করা উচিত।

হাঁটতে বেরনোর আগে কী কী করবেন
কতগুলি খুব সাধারণ যোগমুদ্রা অভ্যেস করতে পারেন। যেমন ধরুন চক্রাসন, অর্ধ চক্রাসন, মার্জারাসন, চেস্ট এক্সপ্যানশন করতে পারেন। দু’টি হাত মাথার উপর টানটান করে তুলে রেখে দু’ পাশে যতটা সম্ভব বেঁকুন। একটি পা সামনের দিকে এগিয়ে হাঁটু থেকে ভাঙুন, পিছনের পা টানটান থাকবে। এর ফলে চাপ পড়বে আপনার কাফ মাসলে। দুই পায়ের কাফ মাসলেই এই ব্যায়াম করুন।

হাঁটা শেষ হওয়ার পর কী করবেন
মাটিতে শুয়ে পড়ুন – অবশ্য তার আগে একটা ম্যাট বিছিয়ে নেবেন অবশ্যই। একটি পা ৯০ ডিগ্রি কোণে উপরে তুলুন, অন্য পা থাকবে প্রসারিত। একটি তোয়ালে বা রেজ়িস্ট্যান্ট ব্যান্ডের সাহায্যে যে পা উপরে তোলা আছে, সেটিকে নিজের দিকে যতটা সম্ভব নামানোর চেষ্টা করুন। ৩০ সেকেন্ড ধরে রেখে অন্য পায়ে শিফট করুন। অন্তত ১০ বার করতে হবে। সোজা দাঁড়িয়ে একটি পা হাঁটু থেকে ভাঁজ করে পিছন দিকে নিয়ে যান, হাত দিয়ে যতটা সম্ভব টেনে ধরুন। ৩০ সেকেন্ড ধরে রেখে অন্য পায়ে শিফট করতে হবে, অন্তত ১০ বার করুন। এ ছাড়া লাঞ্জেসও খুব ভালো স্ট্রেচিং।
তথ্যঃ- ফেমিনা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য