আজিজুল ইসলাম বারী, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক মানুষ ট্রেনের ইঞ্জিন, ছাদ এবং দুই বগির সংযোগ স্থলে বসে এবং বগিতে দাঁড়িয়ে তাদের গন্তব্য স্থলে যাচ্ছেন। বর্তমানে প্রায় দ্বিগুন যাত্রী নিয়ে চলছে ট্রেনটি। অনেক যাত্রী সড়ক পথে যাতায়তের চেয়ে ট্রেনে যাতায়ত সাচ্ছন্য মনে করার কারনে দিন দিন ট্রেনে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে । কিন্তু যাত্রীর তুলনায় বগির সংখ্যা কম হওয়ায় ভোগান্তিতে পোহাচ্ছে তারা

বাউরা রেলষ্টশনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনে যাত্রীর প্রচুর চাপ থাকার সত্ত্বেও সে তুলনায় বগি না থাকার কারনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক মানুষ ট্রেনের ইঞ্জিন, ছাদ এবং দুই বগির সংযোগ স্থলে বসে এবং বগিতে দাড়িয়ে তাদের গন্তব্য স্থলে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে বুড়িমারী কমিউটার ট্রেনের যাত্রী আশীষকুমার সেন সোনা (৩৮)বলেন, ট্রেনে প্রচুর যাত্রীর কারনে বগিতে জায়গা না থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ন যায়গায় ওঠে যাতায়ত করছে। মূলত যাত্রী অনুযায়ী বগির সংখ্যা কম থাকার কারনে এ সমস্যা হচ্ছে।

এ বিষয়ে পাটগ্রাম ষ্টেশন মাষ্টার মকছুদ আলী বলেন, “যাত্রীদের গাড়ির ইঞ্জিন, ছাদ এবং হুক (দুই বগির সংযোগ স্থলে) রান করতে প্রায় নিষেধ করাহয় । আর নিষেধ করা সত্তে ও ঝুঁকি নিয়ে যারা রান করে এটা তাদের এক প্রকার দূরদর্শিতা এর জন্য রেল কতৃপক্ষ দায়ী হবে না। আর গাড়িতে পযাপ্ত পরিমানে বগি না থাকার কারনে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। পর্যাপ্ত পরিমানে বগি থাকলে যাত্রিদের এ ঝুঁকি হত না।”

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ( এডিটিও) সাজ্জাত হোসেন জানান , “ আমাদের তেমন ম্যান পাওয়ার নাই এদের প্রতিরোধ করার জন্য। আমরা ট্রেন লালমনিরহাটে আসলে ওই বিষয়ে মানুষকে সজাগ করি। ওই ট্রেনটির কোচ (বগি) বাড়ানোর জন্য আমরা যাত্রীদের কাছ থেকে মৌখিক আবেদন পেয়েছি। এবং কোচ বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে , আশা করা যাচ্ছে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।”

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য