দিনাজপুর সংবাদাতাঃ র‌্যাব-১৩, সিপিসি-১ কর্তৃক দিনাজপুরের চঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, গত ২৬/০১/২০১৯ ইং তারিখ দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানাধীন তারগাঁও গ্রামস্থ বুখারু রায় এর ১৩ বছর বয়সী শিশুকন্যা (১৩) কে একই থানার বড়দইড় (ডাঙ্গীপাড়া) গ্রামস্থ মোঃ সুমন ইসলাম (সুজন) এবং বগড়াবাজার গ্রামস্থ মোঃ বকুল মিয়া সহ আরো ০২ জন মুখোশধারী ব্যক্তি জোড়পূর্বক জনৈক ব্যক্তির লিচু বাগানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষন শেষে মেয়েটি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং কোনমতে ছুটে বাখর খুড়িয়া গ্রামের বাবুলের বাড়ীর সংলগ্ন দোকানের কাছে এসে চিৎকার করলে আশেপাশে থেকে লোকজন ছুটে আসে।

পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে ভিকটিম শিশুকন্যা (১৩) কে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তাকে কাহারোল হাসপাতালে চিকিৎসা করা হলে সে সুস্থতা লাভ করে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে কাহারোল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানার মামলা নং-০২ তারিখ ০৬/০২/১৯খ্রিঃ ধারা-নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধনী (২০০৩) এর ৯(৩)। ঘটনার পর থেকেই র‌্যাব বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।

গ্রেফতার এড়াতে আসামী মোঃ বকুল মিয়া (৩২), পিতা-মোঃ সৈয়দুল ইসলাম, সাং- বগড়াবাজার, থানা- কাহারোল, জেলা-দিনাজপুর আতœগোপনে থাকে এবং ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করে। র‌্যাবের অব্যাহত নজরদারীর এক পর্যায়ে ৩১ তারিখ সিপিসি-১, র‌্যাব-১৩, দিনাজপুর এর একটি আভিযানিক দল কর্তৃক নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানাধীন বগড়াবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ মামলার অন্যতম প্রধান আসামী মোঃ বকুল মিয়া (৩২) কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরে করা হয়েছে। এ ধরণের চাঞ্চল্যকর অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিদেরকে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাবের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য