আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় দু’দফা বন্যায় চরাঞ্চলের আমন ধানের বীজতলা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বন্যায় বীজতলার এই ক্ষয়ক্ষতি পুসিয়ে নিতে কৃষকরা জরুরী ভিত্তিতে ভাসমান বীজতলা প্রস্তুত করছে। উপজেলা কৃষি দপ্তরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কৃষকরা ভাসমান বীজতলা তৈরী করে সময়মত আমন ধান চাষ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

অনেক ব্যবসায়ীও জমি বর্গা নিয়ে ভাসমান বীজতলা তৈরী করছে। কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ব্রি-৫১ জাতের ধান বন্যা মোকাবেলায় অত্যান্ত উপযোগী।

তাই পরবর্তী পর্যায়ে আবারও বন্যা এলে যাতে আমন ধান চাষ বিঘিœত না হয় সেজন্য এই বিশেষ জাতের ধানের বীজতলা তৈরী করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রায় দু’সপ্তাহ এই ধান পানির নিচে ডুবে থাকলেও ওই ধান গাছের ক্ষতি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান, বন্যা মোকাবেলায় কৃষিক্ষেত্রে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভাসমান বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রনালয়ের পরামর্শে ভাসমান বীজতলা প্রস্তুতির প্রক্রিয়া চলছে।
বন্যা মোকাবেলায় সুন্দরগঞ্জে ভাসমান বীজতলা তৈরী

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় দু’দফা বন্যায় চরাঞ্চলের আমন ধানের বীজতলা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বন্যায় বীজতলার এই ক্ষয়ক্ষতি পুসিয়ে নিতে কৃষকরা জরুরী ভিত্তিতে ভাসমান বীজতলা প্রস্তুত করছে। উপজেলা কৃষি দপ্তরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কৃষকরা ভাসমান বীজতলা তৈরী করে সময়মত আমন ধান চাষ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

অনেক ব্যবসায়ীও জমি বর্গা নিয়ে ভাসমান বীজতলা তৈরী করছে। কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ব্রি-৫১ জাতের ধান বন্যা মোকাবেলায় অত্যান্ত উপযোগী।

তাই পরবর্তী পর্যায়ে আবারও বন্যা এলে যাতে আমন ধান চাষ বিঘ্নিত না হয় সেজন্য এই বিশেষ জাতের ধানের বীজতলা তৈরী করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রায় দু’সপ্তাহ এই ধান পানির নিচে ডুবে থাকলেও ওই ধান গাছের ক্ষতি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ জানান, বন্যা মোকাবেলায় কৃষিক্ষেত্রে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভাসমান বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রনালয়ের পরামর্শে ভাসমান বীজতলা প্রস্তুতির প্রক্রিয়া চলছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য