ইউরোপে প্রবেশের মুখে ক্রোয়েশিয়ান পুলিশের বর্বর নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অভিবাসনপ্রত্যাশী হাজার হাজার অভিবাসী, উদ্বাস্তু নারী ও পুরুষ। নির্মম প্রহার, মোবাইল ফোন নষ্ট করা, উলঙ্গ করে তল্লাশি এবং টাকা চুরি করে নেয়াসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন পশ্চিম ইউরোপের প্রবেশমুখ বলে পরিচিত ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে আটকে পড়া এসব মানুষ।

সম্প্রতি ক্রোয়েশিয়ান পুলিশ ইউরোপে প্রবেশে ইচ্ছুক এসব উদ্বাস্তু ও অভিবাসনপ্রত্যাশী মানুষের ওপর নির্যাতন চালানোর বেশকিছু ভিডিও প্রকাশ করেছে বিবিসি। এতে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে প্রমাণ থাকলেও বিষয়টি অস্বীকার করছেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

জানা গেছে, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের এসব মানুষের বেশির ভাগই জার্মানি যাওয়ার উদ্দেশ্যে পশ্চিম বসনিয়ার ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে জড়ো হন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজেদের সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করার পর পশ্চিম ইউরোপে প্রবেশের নতুন রুট হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে বসনিয়া।

এসব অভিবাসীদের ফের বসনিয়ায় ফেরত পাঠাতে নিষ্ঠুর পদ্ধতি অবলম্বন করছে ক্রোয়েশিয়ার পুলিশ। কর্মকর্তারা জানান, ‘উপরের নির্দেশে’ এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কলিন্ডা গ্রাবার কিটারোভিক বলেন, ‘এ এলাকাটি দুর্গম। এটি পাড়ি দিতে গিয়েই অনেকের গায়ে দাগ লাগছে। অভিবাসীরা যে অভিযোগ করছে তা সত্য নয়।’

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য