আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সবকটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ২৬ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

বন্যা কবলিত এলাকা থেকে পানি কমতে শুরু করলেও অনেক এলাকায় এখনও রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ি জলমগ্ন রয়েছে। এদিকে গাইবান্ধা শহর রক্ষা বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ও অন্যান্য বন্যা নিয়ন্ত্রন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আশ্রিত মানুষরা এখনও তাদের ঘরবাড়িতে ফিরে যেতে পারছে না।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, এছাড়া ঘাঘট, করতোয়া ও তিস্তার নদীর পানি এখন বিপদসীমার নিচে রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে তারা গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধসহ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করে মানববেতর জীবন যাপন করছে। জেলার অধিকাংশ এলাকা দীর্ঘদিন যাবত বন্যা কবলিত হয়ে থাকায় শ্রমজীবি মানুষরা অর্থ সংকটে পড়েছে। সেজন্য নিম্নবিত্ত পরিবার অধিকাংশ পরিবার ত্রাণের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

এদিকে বন্যা কবলিত এলাকা ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে শিশু ও বৃদ্ধরা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এদিকে সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ জানান, সাত উপজেলার ৫১টি ইউনিয়নের বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য ১০৯টি মেডিকেল টিম সার্বক্ষনিক কাজ করছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য