মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দেশটির সিনেটের অনুমোদন পেয়েছেন মার্ক এসপার। এ অনুমোদনের অপেক্ষায় এতোদিন ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে তাকে। তবে মঙ্গলবার সিনেটের অনুমোদন পাওয়ায় তার এ দায়িত্ব পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান ঘটলো। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।

মার্ক এসপার-এর পূর্বসূরি জিম ম্যাটিস ২০১৮ সালে ডিসেম্বরে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। তারপর থেকে এতোদিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতরের পূর্ণ মন্ত্রীর পদটি খালি ছিল। মঙ্গলবার সিনেটের এ সংক্রান্ত ভোটাভুটিতে মার্ক এসপার-এর পক্ষে রায় দেন ৯০ জন। বিপরীতে তার বিরুদ্ধে ভোট দেন ৮ জন।

১৯৯১ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধে অংশ নেওয়া মার্ক এসপার যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও-র ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। দুইজনই মর্যাদাপূর্ণ ওয়েস্ট পয়েন্ট মিলিটারি একাডেমির শিক্ষার্থী। ১৯৮৬ সালে তারা সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটির শুনানিতে অংশ নিয়ে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন মার্ক এসপার। তিনি বলেন, তার দেশ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চায় না। বিষয়টি নিয়ে বরং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে আগ্রহী ট্রাম্প প্রশাসন।

এসপার বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ না জড়ানোর ব্যাপারে আমার সমর্থন রয়েছে। আমাদের তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানে যেতে হবে।

ইরানের ব্যাপারে কূটনীতিকে ‘সবচেয়ে যুক্তিপূর্ণ উপায়’ মনে করেন কিনা- সিনেটরদের এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, কূটনীতি সব সময়ই এমন ছিল।

তিনি বলেন, পারস্য উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর চলাচল নির্বিঘ্ন করতে এগুলোর চলাচলের ওপর নজর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। এ লক্ষ্যে মার্কিন সরকার মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চায়। এ বিষয়ে শিগগিরই সিনেটকে জানাবে ট্রাম্প প্রশাসন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য