দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ ফিরুজুল ইসলাম বলেছেন, এসিড সহিংসতা নির্মুল করতে আইনের পাশাপাশি ব্যাপক সচেতনা সৃষ্টি করত হবে। বিক্রেতা ও ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জব্বদিহীতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

এসিড অপরাধ আইন-২০০২ এবং এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এসিড সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের তাৎক্ষনিক চিকিৎসা ও তাদের ন্যায় বিচার প্রাপ্তিতে জিও-এনজিও, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দদের এগিয়ে আসতে হবে।

“রুখো এসিড সহিংসতা, বাঁচাও মানুষ”-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২২ জুন সোমবার সদর উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে গ্রাম উন্নয়ন প্রচেষ্টা (জিইউপি) পাহাড়পুর দিনাজপুরের আয়োজনে এবং এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন-ঢাকা’র সহযোগিতায় এসিড বিক্রেতা এবং এসিড ব্যবহারকারীদের সাথে সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন।

গ্রাম উন্নয়ন প্রচেষ্টা’র নির্বাহী পরিচালক ফরিদা বেগম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন ঢাকা’র প্রোগ্রাম অফিসার আমিনা খাতুন নীলা।

এসিড সহিংসতার ভয়াবহতা, এসিড অপরাধ দমন আইন, এসিড নিয়ন্ত্রন আইন, এসিড আক্রান্ত ব্যক্তিদের ন্যায় বিচার প্রাপ্তি বিষয় নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন গ্রাম উন্নয়ন প্রচেষ্টা সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ মশিউজ্জামান রেজা। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন এসইউপিকে’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন, ব্রাক জেলা প্রতিনিধি মোঃ মহশিন আলী, সিপিইউএন এর নির্বাহী পরিচালক ইমদাদুল হক, যুব উন্নয়নের প্রতিনিধি আশরাফুল আলম, দিনাজপুর উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি জান্নাতুস সাফা শাহিনুর, বিলকিস আরা ফয়েজ, মুর্শেদা পারভীন মলি, এসিড ব্যবহারকারী কমল কান্ত কানাই, মোকলেছুর রহমান, এসিড বিক্রেতা মোঃ হিরা, মোঃ কামাল, ও রাশেদুর রহমান।

উক্ত আলোচনা সভায় জিও-এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাধিক, জনপ্রতিনিধি, যুব সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করে। উল্লেখ্য উক্ত প্রকল্পের আওতায় দিনাজপুর সদরসহ ৪টি উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য