আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনও বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে।

বন্যা দুর্গত এলাকায় পানিবন্দী পরিবারগুলোর মধ্যে বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন এবং জ্বালানি সংকট বিরাজ করছে। এদিকে পানিবন্দী মানুষদের বন্যার পানিতে দেখা দিয়েছে, নানাবিধ রোগ জীবানুর ভাইরাস। অনেকে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে পানিবাহিত নানাবিধ রোগে। ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়া পরিবারগুলো নৌ-ডাকাতির শঙ্কায় রয়েছে। অনেক চরবাসী রাত জেগে বাড়ি পাহাড়া দিচ্ছে।

কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, বন্যায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় ১২ হাজার ৮০৩ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত রয়েছে। এসব ফসলের মধ্যে রয়েছে আউশ, আমন বীজতলা, রোপিত আমন, পাট ও শাকসবজি।

বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে বন্যা পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় জানান, বন্যা কবলিত এলাকায় সরকারি ত্রাণ সহায়তা হিসেবে সাড়ে ৯শ’ মে. টন চাল, ১৫ লাখ টাকা এবং ৫ হাজার ৬শ’ শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বন্যা পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি নির্মাণে সহায়তা দেয়া হবে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদেরও প্রয়োজনীয় সহায়তা দান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, সোমবার ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বিপদসীমার ৮৯ সে.মি., ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৪৬ সে.মি. এবং করতোয়া নদীর পানি বিপদসীমার ১ সে.মি. নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য