দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার আলাদিপুর ইউনিয়নের বারাই প্রফেসরপাড়া বাইনাকুড়ি গ্রামের বাসীন্দা অন্ধ ভিক্ষুক কানছিয়া রায়ের বাড়ীতে তিনজন প্রতিবন্ধি থাকলেও, তাদের ভাগ্যে জোটেনি বয়স্ক ভাতা কিংবা সরকারী কোন অনুদান।

৭৫ বছর বয়সি এই অন্ধ কানছিয়া রায়ের কোন ভিটে মাটি, না থাকায় উপজেলার বারাই বানাইকুড়ি গ্রামে, অন্যের জায়গায় স্ত্রী ও প্রতিবন্ধি ছেলেও নাতীকে নিয়ে বসবাস করেন। তিনি অন্ধ হওয়ায় কোন কাজ কর্ম করতে পারেনা, একমাত্র অন্যার দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে সংসার চলে তার।

কানছিয়া রায় জানান, অন্ধ হওয়ায় কোন কাজ-কর্ম করতে পারেনা, এই কারনে ভিক্ষাবৃত্তি করে অনেক কষ্ট করে তার পরিবার পরিচালনা করে আসছেন। তার ভাগ্যে জোটেনি কোন বয়স্ক ভাতা বা সরকারী কোন অনুদান। কানছিয়া রায় বলেন, তার পরিবারে আরো দুইজন প্রতিবন্ধী রয়েছে, তার এক ছেলে বিদাসু (২৫) প্রতিবন্ধী, সেই প্রতিবন্ধি ছেলের পুত্র মিথুন(১১) সেও প্রতিবন্ধী। তাদেরও কোন ভাতা বা সরকারী কোন অনুদান মেলেনি। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী’র বরাদ্দকৃত ঘর অনেকের ভাগ্যে জুটলেও তাদের ভাগ্যে মেলেনি।

এই অন্ধ ভিক্ষুক বলেন, তিনি ইউপি চেয়ারম্যান কে এবং তার এলাকার দুই নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কে হাত ধরে একটি বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য অনুরোধ করেছিল। তার পরেও কোন কাজ হয়নি।

তার পরিবারের অন্য দুই প্রতিবন্ধিরও কোন কার্ড হয়নি। সে আরো জানায় ওয়াডের এক ইউপি সদস্য তার বয়স্ক কার্ড দেয়ার জন্য টাকা দাবী করেছিল, সেই টাকা তিনি দিতে না পারায় ওই ইউপি সদস্য তার কার্ড দেয়নি।

এই বিষয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগের চেষ্ঠা করেও ইউপি সদস্য নকুলকে পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর রহমান বলেন, আগামীতে কার্ড আসলে বিবেচনা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম বলেন, ঘটনাটি তার জানা ছিলো না, তিনি বিষয়টি খোজ নিয়ে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য