সংবাদ সম্মেলনঃ দিনাজপুর রাণীরবন্দর তাঁত বোর্ড বেসিক সেন্টারের অফিস পিয়ন ওয়ারেজ আলীর বিরুদ্ধে ঋন প্রদান ও চাকুরী দেয়ার প্রলোভনে ১০লাখ টাকা আত্বসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে । সংবাদ সম্মেরনে আইনী প্রক্রিয়ায় সংখ্যালুঘু হিন্দু পরিবারের ক্ষতি হওয়া অর্থ উদ্ধরের ব্যবস্থাসহ এমন অসত তাঁত বোর্ডের অফিস কর্মচারীর কঠোর শাস্তির দাবী।

সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের বড়ভিটা গ্রামের মৃত রমেশ চন্দ্রের পুত্র অতিকান্ত রায়। গতকাল বুধবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিকান্ত রায়ের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার কন্যা প্রীতিবালা রায়।

তারা লিখিত বক্তব্যে বলেন, রাণীরবন্দর তাঁত বোর্ড বেসিক সেন্টারের অফিস পিয়ন ওয়ারেজ আলী ঋন এবং চাকুরী দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধাপে ধাপে ব্যবসায়ী অতিকান্ত রায়ের নিকট ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। রানীরবন্দর তাঁত বোর্ডের পিয়ন ওয়ারেজ একই স্থানে দীর্ঘদিন চাকুরী করার সুবাদে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান তার পরম আত্মীয় বলে অতিকান্ত রায়কে প্রলুব্ধ করেন। ঋণের ব্যবস্থা এবং তার কন্যা প্রীতিকে তাঁত বোর্ডে একটি চাকুরী নিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন ওয়ারেজ আলী। কিন্তু শেষ অবধি কোনোটিই জুটেনি অতিকান্ত রায়ের কপালে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ওয়ারেজ আলীর ছোল ছাতুরীতে পরে ঋন ও চাকুরীরর লোভে পরে আমি নি:স্ব হয়ে পড়েছি। অতিকষ্টের মাঝে এখন ভ্যান চালিয়ে পরিবারের অন্য জোগার করতে হচ্ছে । ইতিমধ্যে নিজের বসতভিটা বিক্রি করে মানুষের কাছে নেয়া ঋনের টাকা পরিশোধ করে বর্তমানে ঘর ছাড়া মানুষ হয়ে পড়েছি। সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের নিকট তিনি আইনী প্রক্রিয়ায় সংখ্যালুঘু হিন্দু পরিবারের ক্ষতি হওয়া অর্থ উদ্ধরের ব্যবস্থা দেয়াসহ এমন অসত তাঁত বোর্ডের অফিস কর্মচারীর কঠোর শাস্তির দাবী করেন।

উল্লেখ্য, রাণীরবন্দর বেসিক সেন্টার ও বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড অফিসের কর্মচারী মো. ওয়ারেজ আলী দিনাজপুর চিরিরবন্দরের নশরতপুর ইউনিয়নের রাণীরবন্দর বালাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ছামাদের পূত্র ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য