কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রবাহমান ধরলা নদী বেষ্টিত ৫ ইউনিয়ন- নাওডাঙ্গা, শিমুলবাড়ী, ফুলবাড়ী, বড়ভিটা ও ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের মোট ১১ হাজার ১৮৩ পরিবার বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এসব পরিবার পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। হাজার হাজার মানুষ উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। কেউ কেউ বাড়িতেই টং বানিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

এরমধ্যে ফুলবাড়ী সদরের ফুলসাগর সংলগ্ন চন্দ্রখানা নামাটারী এলাকার মানুষ গবাদী-পশুসহ আশ্রয় নিয়েছে হ্যালিপ্যাড ও জছিমিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে। এখানে তারা তাবু টাঙ্গীয়ে রাত্রী যাপন করে।

নাওডাঙ্গা, শিমুলবাড়ী, বড়ভিটা ও ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের ধরলা নদীর তীরবর্তী মানুষরা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধে আশ্রয় নিয়েছে। এখানকার বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে তা প্রয়োজনের চেয়ে স্বল্পতা ও অপ্রতুল।

এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা ত্রাণ ও পূনবার্সন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত জানান, ফুলবাড়ী উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১ হাজার ১৮৩ পরিবারের জন্য এ পর্যন্ত ১৩ মেট্রিকটন চাল, ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার ও ৩০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য