সংবাদ সম্মেলনঃ সভ্য যুগে যারা ধর্মের পথ প্রদর্শক হিসেবে পরিচিত ইমাম নামের কলঙ্ক, যৌতুক লোভী পাষন্ড জামাই আশরাফুল ইসলাম সহ অন্যান্য আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতারসহ দৃষ্টন্তমূলক শাস্তির দাবী করে ১৩ জুলাই শনিবার দিনাজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে খানসামা উপজেলার ১নং আলোকঝাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা মোছাঃ লাভলী আক্তারের পিতা মোঃ আবু কালাম সংবাদ সম্মেলনে আর্তনাত করে এ কথাগুলো বলেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান গত মাসে ২৮ জুন মুসলিম শরাশরীত মোতাবেক রেজিঃ কাবিন নামা মূলে অনুষ্ঠানিকভাবে একই ইউনিয়নের বাসুলি (বানগাঁও) গ্রামের বজলুর রহমানের পুত্র মসজিদের ইমাম মোঃ আশরাফুল ইসলামের সাথে বিয়ে হয়।

বিদায়ের সময় জামাই আশরাফুল ইসলাম, মোঃ রবিউল ইসলাম, মহসিন আলী, মোঃ বদরুল ইসলাম, মোঃ তহিজুল ইসলাম, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোছাঃ মজিদা বেগম, মোছাঃ ফেরদৌসী বেগম, মোছাঃ পারভীন আক্তার মোছাঃ তহমিনা বেগম এর নিকট নগদ ২ লক্ষ টাকা ও সোনাদানা সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাত্রিপক্ষ প্রদান করে।

বাসররাতে উপরোক্ত ব্যক্তিদের সাথে ষড়যন্ত্র করে লাভলী আক্তারকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার যৌনদ্বারে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় তরল পানিয় ক্ষয়কারক পদার্থ দিয়ে গুরুত্বরভাবে যখম করে। পরের দিন মোবাইলে সংবাদ পেয়ে আমরা ছুটে যাই এবং দেখি জামাই পালিয়েছে লাভলী আক্তারের প্রচুর রক্তখরনের ফলে অজ্ঞান হয়ে সে পড়ে রয়েছে।

আমরা দ্রুত তাকে মাইক্রোবাসে করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এব্যাপারে খানসামা থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলা দায়ের করলে থানা পুলিশ যৌতুকলোভী পাসন্ড জামাইকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।

তিনি আরো বলেন, আশরাফুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও এ ঘটনার সাথে জড়িত উপরোক্ত আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতার সহ দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করছি। যাতে আর কোন যৌতুকলোভী জামাই আমার মেয়ের মত অন্য কোন মেয়ের এভাবে অমানবিক সর্বনাস না করে।

তিনি পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এসময় বোন তফসিনা আক্তার, ভগ্নিপতি মোঃ মাহাবুবুর রহমান, মোঃ বাবুল, রবিউল ইসলাম ও আত্মিয় মোঃ নুর আলম সাংবাদিক সম্মেরনে উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য