নীলফামারীর ডোমার সদরের থানা হতে বাজার ও বাস স্ট্যান্ডের ওপর দিয়ে যাওয়া প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কটি চলাচলের একেবারে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সড়কটির কোথাও হাঁটু, আবার কোথাও এর চেয়েও বেশী গর্ত রয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই দূর্ভোগে পড়তে হচ্ছে ডোমারবাসীকে।

চলাচলারের একবারে অযোগ্য এই দেড় কিলোমিটারের মধ্যে ডোমার থানা, বাজার, বাসস্ট্যান্ড, পৌরসভা ভবন, হাইস্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফায়ার সার্ভিসসহ সকল গুরুত্বুপর্ণূ স্থান ও কার্যালয় রয়েছে। উপজেলা পরিষদ যাওয়ারও এ সড়কটিই একমাত্র অবলম্বন।

ঝুঁকিপূর্ণ এ সড়কটিতে হরহামেশায় ঘটছে দুর্ঘটনা। এজন্য ভূক্তভোগী ডোমারবাসী বলছে ডোমারের প্রধান সমস্যা এখন প্রধান সড়কটি। সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে আগামী সাত দিনের মধ্যে সড়কের কাজ শুরু হবে।

পঞ্চগড়, বাংলাবান্ধা হতে প্রতিদিন ১০ চাকার পাথর ও বালু বোঝাই প্রজুর ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কটির এ দুর্দশা বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রতি বর্ষা মৌসুমে কিছু নিম্নমানের ইট ও বালু ফেলে সংস্কারের চেষ্টা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ১০ চাকার ট্রাকের ভারে ইটগুলো পিষে কাঁদায় পরিণত হয় কয়েক ঘন্টার মধ্যে।

ঝুঁকিপূর্ণ এ সড়কটিতে হরহামেশা ঘটছে দুর্ঘটনা। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করছে সাধারণ মানুষ।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ সড়কটি সংস্কারের জন্য টেন্ডার হয়েছে। গত বছর স্থানীয় সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে নাই।

ডোমারবাসী আসাদুজ্জামান চয়ন ও গোলাম কুদ্দুস আইয়ুব জানান, প্রতি বর্ষা মৌসুমে সড়কটির সংস্কার নিয়ে ডোমারবাসী আন্দোলন করলে সড়ক ও জনপথ বিভাগ হতে তাদের আশ্বস্ত করে যে, সংস্কারের টেন্ডার হয়ে গেছে। সাত দিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে। এই সাত দিন কয়েক বছর হতে যাচ্ছে- শেষ হচ্ছে না।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম হামিদুর রহমান জানান, প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ওই সড়কটির এক কিলোমিটার সংস্কার কাজের টেন্ডার হয়ে গেছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ঢাকার হক এন্টারপ্রাইজ আগামী সাত দিনের মধ্যে কাজ শুরু করবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য