মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাইওয়ানে সম্ভাব্য একটি অস্ত্র বিক্রি কার্যক্রমে অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।

আনুমানিক ২২০ কোটি ডলার মূল্যের এ চালানে পূর্ব এশিয়ার দ্বীপটিতে ১০৮টি আব্রামস ট্যাঙ্ক, আড়াইশটি স্টিঙ্গার ক্ষেপণাস্ত্র ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপকরণ সরবরাহের কথা রয়েছে।

চীনের তীব্র আপত্তির মুখেই যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানে এ অস্ত্র বিক্রি অনুমোদন করলো বলে জানিয়েছে বিবিসি।

বেইজিং তাইওয়ানকে তার ভূখণ্ডের অচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে এ দ্বীপকে যুক্ত করতে প্রয়োজন হলে বল প্রয়োগেরও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে তারা।

তাইওয়ানের কাছে প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রি ‘তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল’ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়টির মুখপাত্র গেং শুয়াং এই পদক্ষেপকে ‘চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে স্থূল হস্তক্ষেপ এবং চীনের সার্বভৌমত্বও ও নিরাপত্তা স্বার্থ ক্ষুণ্নকারী’ বলে অবিহিত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ‘এক চীন নীতি’ লঙ্ঘন করছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র এ নীতিকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং দেশটির সঙ্গে তাইওয়ানের নয় চীনের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক আছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

অস্ত্র বিক্রির এ সিদ্ধান্ত ‘চরম অসংবেদনশীল ও ক্ষতিকারক’ হবে বলে এর আগে সতর্কও করেছিল তারা।

এক বিবৃতিতে পেন্টাগনের প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থা (ডিএসসিএ) বলেছে, তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি ওই অঞ্চলের সামরিক ভারসাম্যের কোনো পরিবর্তন ঘটাবে না।

সম্ভাব্য যে কোনো অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে ডিএসসিএ মার্কিন কংগ্রেসকে অবহিত করে থাকে।

অস্ত্র বিক্রিতে অনুমোদন দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘আন্তরিক কৃতজ্ঞতা’ জানিয়েছে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।

যুক্তরাষ্ট্র পূর্ব এশিয়ার স্বশাসিত এ দ্বীপটির প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য