দিনাজপুর সংবাদাতাঃ কাহারোল উপজেলায় আসছে ঈদুল আযহা। ব্যস্ত সময় পার করছেন গরুর খামারীরা। আর এক মাস পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা। তাই ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে উপজেলায় খামারীরা গরু মোটাতাজা করণে ব্যস্ত সময় পার করছে। কাহারোলে প্রাকৃতিক ভাবে খামারীরা গরু গুলিকে মোটাতাজা করছেন। তারা ভূষি, খড়, খাস, ভাঙ্গা মসুর ডাল ও ভুট্টা ভাঙ্গাসহ দেশীয় খাবার খাওয়াছে গরু গুলিকে।

কাহারোল প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় প্রায় ছোট বড় ৪০০টি খামার রয়েছে। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বেপারিরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পশুর দরদাম শুরু করেছেন। কিনছেনও অনেকে।

তবে গোখাদ্যের দাম বাড়ায় পশু লালন পালনে এবার খরচ আগের তুলনায় বেড়ে গেছে। কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কয়েকজন খামারীরা জানান, আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করছেন তারা। পশু খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি তাতে ব্যয়ও বেড়েছে।

তার পরও তারা লাভের আশায় কষ্ট করে পালন করছেন গরু। কিন্তু তাদের শঙ্কা ঈদ উপলক্ষে ভারত থেকে আমদানি হলে লাভ তো দূরের কথা লোকসানের মুখে পরবেন তারা।

অনেকে কোরবানীর ঈদকে টার্গেট করে সীমিত পুঁজি খাটিয়ে লাভের আশায় দু’একটি গরু লালন পালন করছেন। কাহারোলে যে পরিমান পশু আছে তা কোরবানীর চাহিদা পূরণ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রির জন্য পাঠানো হবে।

কাহারোল উপজেলা প্রাণী সম্পদ (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ডা. মোঃ আবদুস সালাম জানান, আসন্ন ঈদুল আযহা কে সামনে রেখে যে পরিমান গরু লালন পালন করেছে তাতে ঈদে কোরবানীর পশু চাহিদা মেটানোর পরেও পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য