ঘুম মানুষকে শান্তি দেয়, রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে, মন মেজাজ ভালো রাখে। কিন্তু কী জানেন, শোওয়ার ভঙ্গির দোষে আপনার ত্বকে বলিরেখা পড়তে পারে, নাক ডাকার সমস্যা বাড়তে পারে, বাড়তে পারে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের অসুবিধেও। জেনে নিন, কোন কোন পজ়িশনে শোওয়ার অভ্যেস সবচেয়ে ভালো।

পিঠ সোজা করে শোওয়া: খুব কম মানুষ, মাত্র 7 শতাংশ এই পজ়িশনে শুতে অভ্যস্ত। তবে যেহেতু ঘাড়, গলা, মাথা, পিঠ, মেরুদণ্ড সব সরলরেখায় থাকে তাই কোথাও বাড়তি কোনও চাপ পড়ে না ফলে ব্যথা বেদনার সমস্যাও থাকে না। তবে খেয়াল রাখবেন মাথা যেন একটু উঁচুতে থাকে এবং ভালো বালিশের সাপোর্ট পায়। তা না হলে কিন্তু অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বদ হজমের সমস্যা হতে পারে। যাঁদের নাক ডাকে বা স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, তাঁদের জন্য অবশ্য এই পজ়িশন খুব ভালো নয়।

পাশ ফিরে শোওয়া: পাশ ফিরে শুলে অ্যাসিড রিফ্লাক্স হয় না, পিঠে বা ঘাড়ে ব্যথার সমস্যাও থাকে না। নাক ডাকে কম, স্লিপ অ্যাপনিয়ার রোগীদেরও সমস্যা হয় না। তবে একটা সমস্যা আছে এই পজ়িশনে শোওয়ার, আপনার মুখের একটা পাশ বালিশে ঘষা খেলে বলিরেখা পড়তে পারে। 15 শতাংশ মানুষ এই পজ়িশনে শুতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।

ফেটাল পজ়িশন: পাশ ফিরে হাঁটু ভাঁজ করে শুতে পছন্দ করেন অন্ততপক্ষে 41 শতাংশ মানুষ। তবে খুব বেঁকে-চুরে শুলে শ্বাস নিতে অসুবিধে হতে পারে। আর্থারাইটিস বা পিঠের ব্যথায় যাঁরা ভোগেন, তাঁরা এই পজ়িশনে শুলে ব্যথা বাড়ার আশঙ্কা থাকে। সেক্ষেত্রে দু’ পায়ের ফাঁকে পাশবালিশ নিয়ে শুলে ভালো করবেন।

উপুড় হয়ে শোওয়া: পিঠে, ঘাড়ে ব্যথা বাড়বে। মুখে পড়তে পারে বলিরেখা। প্রতিটি মাসল ও জয়েন্টে বাড়তি প্রেশার পড়বে, তাই স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব একটা ভালো নয় এই পজ়িশন। এক্ষেত্রে রাতে শ্বাস নিতে অসুবিধে হয় ও বারবার ঘুম ভাঙে।
-ফেমিনা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য