লন্ডনের বিলাসবহুল ফ্ল্যাট থেকে আরব-আমিরাতের শারজাহ’র আমিরের ছেলে শেখ খালিদ বিন সুলতান আল-কাশিমির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর কোন সুনির্দিষ্ট কারণ জানাতে পারেনি লন্ডনের পুলিশ।

এজন্য আরও রাসায়নিক পরীক্ষা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে তারা। এরই মধ্যে বুধবার দুপুরে শাহজাহার এক কবরস্থানে ৩৯ বছর বয়সী শেখ খালিদকে দাফন করা হয়েছে। এএফপি।

ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল জানিয়েছে, আমিরাতি প্রিন্স শেখ খালিদ বিন সুলতান আল কাশিমি তার অ্যাপার্টমেন্টে একটি সেক্স অ্যান্ড ড্রাগ পার্টির আয়োজন করেছিলেন। সেখানে অতিরিক্ত মদ্যপান ও যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সেখানেই মারা যান তিনি।

তাঁর পিতা শেখ সুলতান ইবনে মোহাম্মদ আল-কাশিমি এবং অন্যান্য আমিরাতি কর্মকর্তারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশে অংশ নেন। পতাকাগুলি অর্ধ-নমিত করা হয়। আজ থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এক মুখপাত্র বলেছেন, খালিদ একদিন আগে লন্ডনে মারা গেছেন। তবে কোন বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়নি।

লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার নাইটসব্রিজের ফ্ল্যাটে এক “অনির্দিষ্ট কারণে তার মৃত্যু” হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে জানালেও নাম প্রকাশ করতে অস্বীকার করে পুলিশ।

একটি পুলিশি বিবৃতিতে বলা হয়, আবাসিক ফ্ল্যাটে একটি “হঠাৎ মৃত্যু” রিপোর্ট করা হয়েছে এবং ওই ব্যক্তি ৩৯ বছর বয়সী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার একটি পোস্টমার্টেম পরীক্ষার প্রতিবেদন অস্বচ্ছ ছিল, তারা আরও রাসায়নিক পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনও কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয় নি।

শেখ খালিদ একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা এবং সৃজনশীল পরিচালক ছিলেন। যা ২০০৮ সালে যাত্রা করেছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য