দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বড়গুনার রিসাত শরীফ হত্যাকান্ডের পর হত্যাকারীদের বাঁচাতে মিন্নিকে নিয়ে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে গুজব তৈরী করে নানা ধরনের অপপ্রচার ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা যারা করছে, হত্যাকারীদের সাথে তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

এই গুজব ও অপপ্রচার সৃষ্টিকারীরা দেশ ও জাতির শত্রু, মানবতার শত্রু তাই সব ধরনের গুজব ও অপপ্রচার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আমরা তথ্য প্রযুক্তির সদ্ব্যব্যবহার চাই, অপব্যবহার নয়। নেতিবাচক অপপ্রচারের কবল থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে দেশের সকল সচেতন নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।

২৯ জুন শনিবার প্রেসক্লাব সম্মুখ সড়কে সম্প্রীতি নরসিংদীর ফুলন রানী, বরগুনার রিফাত শরীফ ও ঠাকুগাঁও এর সেবীকা তানজিনা সহ সারা দেশে’র সকল নির্মম হত্যাকান্ডের খুনিদের অবিলম্বে গ্রেফতারসহ বিচারের দাবীতে দিনাজপুর সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ কমিটি আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, বিচারহীনতা সংস্কৃতি থাকায় একের পর এক হামলা ও হত্যাকান্ড ঘটে চলেছে। হত্যাকান্ড ও হামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয় না, ফলে এরা অপরাধ কর্মকান্ড সংগঠিত করার সাহজ পায়। আমরা লক্ষ্য করছি হত্যার মতো একটি স্পর্শকাতর বিষয়কে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য একটি মহল নানা ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে হত্যাকারীদের বাঁচানোর জন্য।

হত্যাকারীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। তানাহলে হত্যাকারীরা আরো হত্যা সংগঠিত করার উৎসাহ পাবে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে সমাজের প্রতিটি মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

দিনাজপুর সামাজিক অনাচার প্রতিরোধ কমিটির আহবায়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সম্মিলীত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সুলতান কামাল উদ্দীন বাচ্চু, রবিন্দ্র সম্মিলন পরিষদের সভাপতি রবিউল আউয়াল খোকা, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সহিদুল্লাহ, জেলা সিপিবি’র সাধারন সম্পাদক বদিউজ্জামান বাদল, সাংস্কৃতিক সংগঠন ভৈরবীর পরিচালক রহমত উল্লাহ, মহিলা পরিষদের সহ-সভাপতি অর্চনা অধিকারী, প্রশিক্ষন ও গবেষনা সম্পাদক রুবি আফরোজ, যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমৃত রায় প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দিনাজপুর মহিলা পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবিনা আখতার।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য