ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সামরিক ঘাঁটিতে বোমা হামলায় আট জন নিহত হয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবারের ওই হামলাটি আত্মঘাতী বোমা হামলা হতে পারে বলে শনিবার জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।

জোলো দ্বীপের এ হামলার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন জঙ্গিগোষ্ঠী আবু সায়াফ। ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় এই জঙ্গিগোষ্ঠী কয়েক দশক ধরে রাহাজানি, অপহরণ চালিয়ে আসছে এবং সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যস্থলের ওপর অসংখ্য হামলা চালিয়েছে।

আবু সায়াফের কট্টরপন্থি দলছুট একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আনুগত্য স্বীকার করেছে। ওই অংশটি আইএসের আমাক বার্তা সংস্থার মাধ্যমে শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে, তাদের যোদ্ধারা ওই ঘাঁটিতে অনুপ্রবেশ করে হামলাটি চালিয়েছে।

এর সঙ্গে কালো একটি পতাকার পাশে আত্মঘাতী ভেস্ট পরে দাঁড়িয়ে থাকা দুই তরুণের ছবি দিয়েছে তারা।

“আমাদের প্রধান সন্দেহভাজন আবু সায়াফ। সন্ত্রাস ছড়ানোর উদ্দেশ্য একমাত্র তাদেরই আছে,” বলেছেন সুলুর জয়েন্ট টাস্ক ফোর্সের মুখপাত্র জেরাল্ড মোনফোর্ট।

“আমরা মাথা, পা-সহ বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করেছি। তারা (হামলাকারী) উভয়েই পুরুষ ছিল। তারা বিদেশি না স্থানীয় ছিল তা আমরা এখনও জানিনা।”

এই বোমা হামলায় তিন সৈন্য, তিন বেসামরিক ও দুই সন্দেহভাজন হামলাকারী নিহত হয় এবং আরও ২২ জন আহত হন।

এ হামালাটি আত্মঘাতী হামলা বলে নিশ্চিত হলে তা চলতি বছর ফিলিপাইনে হওয়া তৃতীয় আত্মঘাতী বোমা হামলা হবে। সবগুলো হামলাই আবু সায়াফের শক্তিকেন্দ্র সুলুতে হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে সুলুর জোলো দ্বীপের একটি গির্জায় জোড়া আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২১ জন নিহত হয়। এরপর প্রতিবেশী বাসিলান দ্বীপে একটি আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় আরও ১১ জন নিহত হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য