প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবীতে লালমনিরহাটে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র অধিকার সংরক্ষন পরিষদ লালমনিরহাট জেলা শাখার আয়োজনে এ স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ছাত্ররা সাংবাদিকদের বলেন, গত ২৪ মে ও ৩১ মে তারিখে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হয়। সেই শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নানান জালিয়াতি ও প্রশ্ন ফাঁসের কথা দেশবাসী জানতে পেরেছে। এ বিষয়ে নানা তথ্য উপাথ্য বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে।

এই প্রশ্নফাঁস, ডিভাইস জালিয়াতি ও নিয়োগ পরীক্ষার বিশাল দুর্নীতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ সাধারন ছাত্র অধিকার সংরক্ষন পরিষদ প্রতিবাদী একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে পরীক্ষা বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করে। এরপরেও যে সব জেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে সে সব জেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, শিক্ষক নিয়োগের এই বিশাল দুর্নীতির বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর শুধু মাত্র চারটি জেলায় তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন।

তারা আরো বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এই সিদ্ধান্তকে লালমনিরহাট জেলার চাকুরী প্রার্থীগন ধিক্কার জানায়। কারণ বর্তমান এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে যে কোন জায়গা থেকেই প্রশ্ন ফাঁস হোক না কেন, মুহুর্তের মধ্যেই তা সারা দেশের পরীক্ষার্থীদের মাঝে পৌছে যাবে। লালমনিরহাটের চাকুরী প্রার্থীগন কোনভাবেই ফাঁস হওয়া প্রশ্নের এই পরীক্ষার বৈধতা দিবেনা।

তাই লালমনিরহাটের শিক্ষার্থীদের স্বার্থে জেলার শিক্ষা ব্যবস্থা রক্ষার স্বার্থে প্রশ্নফাঁসের এই মহাযজ্ঞকে থামিয়ে দিতে জেলা প্রশাসকের নিকট লালমনিরহাট জেলায় অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য