দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বঙ্গবন্ধু’র নামে সড়কের নাম করন ও উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক মরহুম ওয়াকিল উদ্দীন সরকারের বাসভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু প্রতিককৃতি নির্মানের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করেছে এলাকার গন্নমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

তৎকালিন ইয়াহিয়াখানের সামরিক শাসন আমলে ১৯৬৯ সালে ১১ অক্টোবর ফুলবাড়ী থানা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক মরহুম ওয়াকিল উদ্দীন সরকার এর বাসভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু শুভ আগমন করেন ও দিনাজপুর জেলার পূর্ব অঞ্চলিক কর্মী সভায় অংশগ্রহন করে বঙ্গবন্ধ দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য যে, সেই সময় তার বক্তব্য শোনার জন্য এবং তাকে দেখার জন্য বাসার বাহিরে প্রায় লক্ষাধিক জনতা সমবেত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর মহামূল্যবান বক্তব্য শুনে সমবেত জনতা উজ্জীবিত ও অনুপ্রানিত হন।

সেই সাথে সাহসী ও ত্যাহি নেতৃত্বের কারণে ফুলবাড়ী থানা আওয়ামীলীগ খুবই অল্প সময়ে শক্তিশলি ভিত্তির উপরে দাড়িয়ে যায়। ক্রান্তিকালে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফুলবাড়ীতে এক বিশাল কর্মিসভার আয়োজন করে প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মরহুম ডা: মোজাফ্ফর হোসেন সরকার, মরহুম ওয়াকিল উদ্দিন সরকার এই দুই ভাই আসীম সাহসীকতার পরিচয় দেন।

এই দুজনেই ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদেরকে সার্বিক সহযোগীতা ও নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীতে ভারতে শরনাথীদের মাঝে রিলিফ বিতরনের কাজে দিন রাত পরিশ্রম করেন। তারা দুই ভাই নিবেদিত প্রাণ ও সহযোদ্ধা ছিলেন ফলে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ক্রোধের বশবর্তী হয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি বিজড়িত বাসভবনটি গুড়িয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ন করে দেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই মহান নেতার স্মৃতি চির স্বরনীয় করে রাখার জন্য আগামী ১১ অক্টোবর ২০১৯ ইং তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য পশ্চিম কাটাবাড়ী নিবাসীর পক্ষ থেকে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে স্বারকলিপি প্রদান করেন সাবেক পৌর মেয়র মোঃ শাহাজান আলী সরকার পুতু।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মজিদ সরকার, মোঃ মোস্তফা সরকার, শ্রী দিলীপ লাল প্রসাদ, মোঃ সোহরাওয়াদী সরকার মিন্টু, মোঃ নুরনবী সরকার ও মোঃ মহসিন আলী সরকার সহ এলাকার ৫ শতাধিক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য