নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে হামলায় যে ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে সে ধরনের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র উদ্ধারে কর্মসূচি নিয়েছে দেশটির সরকার। ইতোমধ্যে বিক্রিত সে সব অস্ত্র লোকজনের কাছ থেকে ক্রয় করছে সরকার। খবর এএফপি।

নিউজিল্যান্ডের পুলিশ বিষয়ক মন্ত্রী স্টুয়ার্ট নাশ বলেন, ‘বিক্রিত অস্ত্র ফের ক্রয়ের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের জনগণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এমন সব অস্ত্র উঠিয়ে নেওয়া। আল-নুর ও লিনউড মসজিদে হামলার পর অস্ত্র অপসারণের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

অস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে এমন মালিকদের অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য ছয় মাস সময় বেধে দেওয়া হয়েছে। এই অস্ত্র জমাদান কর্মসূচির আওতায় এসব অস্ত্র এখন অবৈধ বলে গণ্য। বেধে দেওয়া এ সময়ের মধ্যে যারা অস্ত্র জমা দেবে না তাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে।

সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার এই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কারো কাছে এ ধরনের অস্ত্র পাওয়া গেলে তাকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজা ভোগ করতে হবে।

গত ১৫ মার্চ মসজিদে ওই বর্বর হামলার ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন বলেছিলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের অস্ত্র আইন কঠোর করা হবে। তার সরকার মাত্র তিন মাসের মধ্যে তা পরিবর্তন করবে।’ এবার সেই প্রতিশ্রুতিই রাখতে যাচ্ছেন তিনি।

আধুনিক নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ছিল সেটি। ওই হামলার পর দেশটির আইন প্রণেতারা এমএসএসএ অস্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে ভোট দেন। এতে দেখা যায়, অস্ত্রটি নিষিদ্ধের পক্ষে ১১৯ এবং বিপক্ষে মাত্র এক ভোট পড়ে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য