লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার কিসামত ধওলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাসুদ রানাকে অবশেষে ধর্র্ষণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করে আজ মঙ্গলবার সকালে জেল-হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

এর আগে গত রবিবার রাতে তাকে ধওলাই গাঁওচুলকা এলাকায় তার প্রেমিকার বাড়ি থেকে আটক করে স্থানীয়রা।

গতকাল সোমবার মধ্য রাতে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রী তার প্রেমিক শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে হাতীবান্ধা থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে মাসুদ রানাকে জেল-হাজতে প্রেরণ করেন। শিক্ষক মাসুদ রানা টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম ডাকালিবান্ধা এলাকার তরিফ উদ্দিনের পুত্র ও দুই সন্তানের জনক।

স্থানীয়রা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় দুই সন্তানের জনক শিক্ষক মাসুদ রানার সাথে ধওলাই গাঁওচুলকা এলাকার এক কলেজ ছাত্রী দীর্ঘ দিন ধরে পরকীয়া প্রেম চলে আসছে।

গত রবিবার রাতে শিক্ষক মাসুদ তার প্রেমিকার বাড়ি গেলে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জনতার হাতে আটক শিক্ষক মাসুদ রানাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

গতকাল সোমবার সকালে প্রেমিকা ও প্রেমিক মাসুদ রানা দুই জনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু এতে বাধ সাজে শিক্ষক মাসুদের স্ত্রী। তারপর গতকাল সোমবার সারা দিন চলে নানা নাটকীয়তা। পুলিশ হেফাজতে থাকা শিক্ষক মাসুদ রানাকে নিয়ে পুলিশও অনেকটা বিপাকে পড়েন।

পরে মধ্য রাতে প্রেমিকা কলেজ ছাত্রী তার প্রেমিক স্কুল শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ধর্র্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। ফলে পুলিশ হেফাজতে থাকা স্কুল শিক্ষক মাসুদ রানাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে লালমনিরহাট জেল-হাজতে প্রেরণ করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ।

হাতীবান্ধা থানার ওসি উমর ফারুক জানান গত রবিবার রাতে উত্তোজিত জনতা শিক্ষক মাসুদকে আটক করে পুলিশে দেয়। কিন্তু গতকাল সোমবার সারা দিন কোনো অভিযোগ বা আপোষ কপি পাওয়া যায়নি।

গতকাল সোমবার মধ্য রাতে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ করেন তার প্রেমিকা। ফলে পুলিশ হেফাজতে থাকা ওই শিক্ষককে গ্রেফতার দেখিয়ে আজ মঙ্গলবার সকালে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য