ডাবের পানি আপনার প্রতিদিন ডায়েটের আবশ্যক অঙ্গ তো? যা ভয়ানক গরম পড়েছে এবং ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় নুন বেরিয়ে যাচ্ছে, তাতে সুস্থ থাকার জন্য ডাব লাগবেই। বিশেষ করে যাঁরা কাজের সূত্রে সারাদিনে বেশ কয়েকবার বাইরে বেরোতে বাধ্য হন, তাঁদের সুস্থতার জন্য ডাব অপরিহার্য। জেনে নিন তার পাঁচটি গুণের কথা।

এক- শরীর আর্দ্র রাখার ক্ষেত্রে পানিরর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে সারাক্ষণ কি আর শুধু পানি ভালো লাগে? তাই তৃষ্ণা মেটাতে আমরা দ্বারস্থ হই শরবত, কোল্ড কফি, নরম পানীয়ের। কিন্তু এর প্রত্যেকটিতেই চিনি দেওয়া থাকে আর কে না জানে যে চিনি আপনার অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যরক্ষার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে উঠতে পারে। বদলে ডাবের পানি খাওয়া অভ্যেস করুন। এক বড়ো কাপ ডাবের পানির আন্দাজ ৪৬ থেকে ৫০ ক্যালোরি থাকে, তাই স্বচ্ছন্দে খেতে পারেন। ডাবের পানি ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করেও খেতে পারেন। তা আপনার ত্বক আর চুলও ভালো রাখবে।

দুই- প্রচুর দৌড়োদৌড়ি করে খেলাধুলো করার পর সাধারণত কোনও স্পোর্টস ড্রিঙ্কের বোতলে চুমুক দিতে দেখা যায় খেলোয়াড়দের। ডাবের পানি কিন্তু দুর্দান্ত স্পোর্টস ড্রিঙ্ক হতে পারে, কারণ তার মধ্যে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে। তাই যেদিন খুব শারীরিক শ্রম হচ্ছে বা বাইরে প্রচুর ঘোরাঘুরি করতে হয়েছে, সেদিন অতি অবশ্যই ডাবের পানি পান করুন। পটাশিয়াম বজায় রাখবে শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্স।

তিন- ডাবের পানিতে কিছু পরিমাণ ক্যালশিয়াম আর ম্যাগনেশিয়ামও থাকে। ক্যালশিয়ামে আপনার হাড়ের জোর বাড়ে, আর মাসলের ক্ষমতা বাড়ায় ম্যাগনেশিয়াম। তাই কায়িক পরিশ্রম হলে তা পান করা খুব ভালো।

চার- ডাবের পানিতে কিছু পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট থাকে। তা আপনার অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও ফ্রি র‍্যাডিকালের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে সক্ষম। বাজার থেকে কিনে আনা ডাবের পানিতেই অবশ্য তার মাত্রা বেশি, বোতলবন্দি ডাবের পানিতে আস্থা রাখবেন না।

পাঁচ- ডায়াবেটিস, কিডনির অসুখ ও হৃদরোগে যাঁরা ভুগছেন, তাঁরাও স্বচ্ছন্দে ডাবের পানি খেতে পারেন। তবে খেলেই যে রাতারাতি আপনার সব সমস্যা চলে যাবে, তাও নয় কিন্তু! অন্যান্য নিয়মবিধি মেনে চলুন, সেই সঙ্গে ডাবের পানিও খান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য