গরম মানেই চুলের হাজারটা সমস্যা। চুল উঠে যাওয়া, খুসকির সমস্যা তো আছেই। তার সঙ্গে এই সময়টায় অনেকেই মাথা চুলকোনোর সমস্যায় ভোগেন। মাথায় ঘাম জমে গিয়ে চুলকোতে পারে, আবার খুসকির কারণেও মাথা চুলকোয়। শ্যাম্পু করে নিলে চুলকুনির হাত থেকে খানিকটা রেহাই পাওয়া যায় বটে, কিন্তু সে নিতান্তই সাময়িক। তার চেয়ে বরং চুলকুনির মূল কারণটাকে খুঁজে বের করে তাকেই নির্মূল করা ভালো, বিশেষ করে যখন কিছু সহজ ঘরোয়া সমাধান আপনার হাতের কাছেই আছে!

টি ট্রি অয়েল
অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল আর অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি গুণে সমৃদ্ধ টি ট্রি অয়েল মাথার চুলকানি বন্ধ করার অব্যর্থ ওষুধ। যে কোনও হেয়ার অয়েলে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে সপ্তাহে দু’বার মাথায় মাসাজ করুন। শ্যাম্পুতে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়েও চুল ধুয়ে নিতে পারেন।

অ্যালো ভেরা
ত্বক বা চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে অ্যালো ভেরা জেল ব্যবহার করা হয়। অ্যালো ভেরাতে পর্যাপ্ত এ, সি আর ই ভিটামিন রয়েছে, সঙ্গে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জ়িঙ্ক, পটাসিয়াম আর সেলেনিয়ামের মতো মিনারেল। এই উপাদানগুলি চুল মসৃণ রাখে এবং প্রদাহরোধী উপাদান স্ক্যাল্পের চুলকুনি কমায়।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার
চুল নিমেষে মসৃণ আর চকচকে করতে চাইলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অ্যাপল সাইডার ভিনিগারের অ্যাস্ট্রিনজেন্ট স্ক্যাল্পের চুলকানি আর খুসকি, দুইই নিয়ন্ত্রণ করে। সপ্তাহে দু’বার অ্যাপল সাইডার ভিনিগার দিয়ে চুলের গোড়া আর স্ক্যাল্পে মাসাজ করুন, 20 মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

হলুদ
যে কোনও ফাঙ্গাল ইনফেকশন ঠেকাতে হলুদ খুবই উপযোগী। মাথার চুলকুনি আর খুসকি কমাতে হলুদ লাগিয়ে দেখতে পারেন। দু’ থেকে তিন চামচ হলুদগুঁড়োর সঙ্গে দু’ এক চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে একটা মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন। তারপর মিশ্রণটি পুরো মাথায় মেখে মাসাজ করুন। ২০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে নিন।

নারকেল তেল
সহজলভ্য এবং মাথার চুলকুনি কমাতে দারুণ কার্যকর। এক কথায় এই হল নারকেল তেল। মাথায় ভালোভাবে নারকেল তেল মেখে মাসাজ করুন। খানিকক্ষণ পরে শ্যাম্পু করে নেবেন। চুল অনেকটাই তৈলাক্ত দেখাবে, কিন্তু চুলকুনি একেবারে কমে যাবে। বাড়তি পাওনা সুগন্ধ তো রয়েইছে!

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য