মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁয়ে এক মণ ধান বিক্রি করে এক কেজি মাংস কিনতে পারছেন না কৃষি নির্ভর সাধারন মানুষ। পরিবার পরিজনদের ঈদ কেনাকাটা নিয়েও দুশ্চিন্তায় চাষিরা।

ধানের দাম না থাকায় অনেকেই ঋণ করে ধান চাষ করলেও ঋণ পরিশোধ নিয়ে বিপাকে পড়ছেন। ফলে ঈদ আনন্দ নয় বরং উদ্বিগ্ন সময় পার করছেন চাষিরা।

জেলায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু ধানের বাজারে নজিরবিহীন ধস নামার কারণে নেই কৃষকের মুখে হাসি।

বর্তমানে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় প্রতি মণ ধান বিক্রি হলেও বাজারে এক কেজি গরুর মাংস ৫০০ টাকা, খাসির মাংস ৭০০ টাকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের কেজি ৪০০ টাকার ঊর্ধ্বে। আবার ঈদ উপলক্ষে পোশাকও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

ফলে দরিদ্র চাষিরা কয়েক মণ ধান বিক্রি করেও কিনতে পারছে না এসব সামগ্রী। এতে করে অনেক চাষি ঈদের কেনাকাটা করতে পারেনি।

শহরের রোড বাজারে জেলার সদর উপজেলার শীবগঞ্জ বিশ্বাষপুর গ্রাম থেকে কৃষক মোঃহেলাল তার ছেলে মেয়েদের নিয়ে ঈদের নতুন জামা কেনার জন্য এসেছেন।

তিনি প্রায় তিন ঘন্টা যাবৎ এ দোকান সে দোকান ঘুরে ওএখন পর্যন্ত দুজনের জন্য নতুন জামা কাপড় কিনেতে পারেন নাই।

আক্ষেপ করে মোঃহেলাল আমাদের বলেন ভাই লোননিয়ে ধান চাষ করেছিলাম। ধান বাজারে বিক্র‌ি করে লোন শোধ করতে পারিনাই এদিকে সামনে ঈদ কিভাবে কি করবো মিলাতে পারছিনা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য