আগামী জুনের প্রথম সপ্তাহে ব্রেক্সিট নিয়ে পার্লামেন্টে ভোটাভুটির পর পদত্যাগ করে নিজের উত্তরসূরি নির্বাচনের সময়সীমা নির্ধারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। নিজের দলের এমপিদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। ব্রেক্সিট নিয়ে অচলাবস্থার কারণে নিজের দল টোরি পার্টির এমপিরা বারবার থেরেসার পদত্যাগ দাবি করে আসছিলেন।

কনজারভেটিভ এমপিদের ১৯২২ কমিটির সভাপতি স্যার গ্রাহাম ব্র্যাডি জানিয়েছেন, পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যত নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। থেরেসা মে তার ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনার জন্য ব্রেক্সিট নিয়ে বিতর্ক ও ভোটের পর কমিটির নির্বাহীর সঙ্গে আবারও জুনের প্রথম দিকে বৈঠকে বসবেন। তিনি বলেন, এখন পরিস্থিতির একটি ‘স্পষ্ট’ চিত্র পাওয়া গেছে।

পার্লামেন্টে ইতোমধ্যে তিন দফা থেরেসার ব্রেক্সিট পরিকল্পনা ভোটাভুটিতে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। জুনে সর্বশেষ চতুর্থবারের মতো তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হলেই তিনি পদত্যাগ করবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন। এর আগে গত বছরের শেষ দিকে কনজারভেটিভ দলের এমপিদের আস্থা ভোটে টিকে গিয়েছিলেন থেরেসা মে। দলের নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের আগে দলের নেতৃত্ব নিয়ে তাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলা যাবে না।

তবে ব্রেক্সিট পরিকল্পনা এবং স্থানীয় নির্বাচনে টোরি পার্টির বাজে ফলাফলের কারণে চলতি গ্রীষ্মেই পদত্যাগের জন্য তাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এদিকে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও টোরি পার্টির এমপি বেরিস জনসন বলেছেন, থেরেসা মে পদত্যাগ করলে তিনি নির্বাচনে লড়াই করবেন। এদিকে ব্রেক্সিট নিয়ে সমাঝোতায় আসতে টোরি ও বিরোধী দল লেবার পার্টির আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হচ্ছে। উভয় দলের সমঝোতাকারীরা অচলবস্থা কাটাতে ছয় সপ্তাহ ধরে আলোচনা করলেও, তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। এখন তারা পার্লামেন্টেই বিষয়টি আলোচনার জন্য পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য