দিনাজপুর সংবাদাতাঃ নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়া হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন দিনাজপুর নার্সিং কলেজ, নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ কয়েক বেসরকারী কয়েক নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে যোগ দেয় দিনাজপুর নার্সেস এসোসিয়েশন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল শাখার নার্সিং কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সকাল ১০টা হতে ১১টা পর্যন্ত এক ঘন্টাব্যাপী দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের সামনে তারা এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। তবে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন দিনাজপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। মানববন্ধন থেকে তারা নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়া হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও শাস্তির দাবী জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষক মোছাঃ ওয়াজেদা বেগম, মোছাঃ রেবেকা খাতুন, মোছাঃ রাখী আকতার, মো. মোস্তফা কামাল, দিনাজপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনষ্ট্রাক্টর ইনচার্জ মোছাঃ ফিরোজা বেগম, ইনষ্ট্রাক্টর মোছাঃ রোজিফা চৌধুরী, শিক্ষার্থী শ্যামল, জাহিদ, সুকদেব, শামসুন নাহার প্রমূখ।

মানববন্ধনে জেলা পাবলিক হেল্থ নার্স মোছাঃ মোস্তফা বেগম, দিনাজপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনষ্ট্রাক্টর মোছাঃ আলেজা খাতুন, মোছাঃ রুবিনা আক্তার, মোছাঃ আমিনা খাতুন-১, মোছাঃ আমিনা খাতুন-২, দিনাজপুর নার্সেস এসোসেশন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল শাখার সভাপতি মো. মজিবুর রহমান, সহসভাপতি মোছাঃ সুফিয়া আক্তার, জেনারেল হাসপাতালের সেবা তত্বাবধায়ক মোছাম্মৎ সুরাইয়া জেবীন, উপ-সেবা তত্বাবধায়ক খন্দকার সুফিয়া আক্তার বানু, নার্সিং কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম শিল্পীসহ অন্যান্য নার্সিং কর্মকর্তা, দিনাজপুর নার্সিং কলেজ ও নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, নার্স শাহীনুর আক্তার তানিয়া ঢাকার কল্যাণপুরে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরি ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামের মো. গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে।

গত ৬ মে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জে নিজ বাড়ীতে আসার পথে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর-পিরিজপুর রুটে চলাচলকারী স্বর্ণলতা পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে নার্স তানিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করে রাস্তায় ফেলে দেয় বাসের চালক ও হেলপারসহ তার সহযোগিরা। এ ঘটনায় বাসের চালক নূরুজ্জামান নুরু (৩৯) ও সহকারী লালন মিয়াসহ (৩২) মোট পাঁচজনকে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য