মো: জাকির হোসেন সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের সিঙ্গেরগাড়ী চৌধুরীপাড়া গ্রামের রিক্সা চালক এরশাদুল হকের প্রাপ্তবয়স্ক কন্যা স্বামীর স্বীকৃতির জন্য ১১ দিন ধরে খেয়ে না খেয়ে প্রেমিকের বাড়িতে পড়ে আছেন। গত ১ মে থেকে অদ্যাবধি প্রেমিকের মায়ের ও নিকট আত্মীয়ের নানা নির্যাতন ও কটু কথা নিরবে হজম করে স্বামীর স্বীকৃতি অর্জনের চেষ্টা করে চলছেন।

জানা গেছে, সিঙ্গেরগাড়ী চৌধুরী গ্রামের রিক্সাচালক এরশাদুল হকের প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সাথে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীর সদ্য মাষ্টার্স পাশ করা ছেলে রবিউল ইসলাম। এরপর প্রেমিকার সাথে দিনের পর দিন দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে প্রতারক প্রেমিক। প্রেমিকা বিয়ের জন্য চাপ দিলে প্রেমিক রবিউল আজকাল করে দীর্ঘ এক বছর যাবৎ তালবাহানা করে আসছে। মেয়েটি প্রেমিক রবিউলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে গত ১ মে স্বামীর স্বীকৃতির দাবি নিয়ে রবিউলের বাড়িতে এসে অবস্থান করে।

মেয়ের বাবা এরশাদুল হক বলেন, আমি গরিব মানুষ রিক্সাচালক বলে আমার মেয়েকে তারা মেনে নিচ্ছে না। প্রতিপক্ষ বিত্তশালী হওয়ায় দীর্ঘ ১১ দিন ধরে শালিস বিচারের নামে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি এ ব্যাপারে অভিযোগ নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ আমার অভিযোগ গ্রহণ না করে আমাকে কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

রবিউল ইসলামের সাথে যোগাযোগের জন্য তার বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এসময় রবিউলের মা রওশন আরা বলেন ছেলে রবিউল নির্দোষ তাকে জোর কওে ফাঁসানো চেষ্টা করা হচেছ। কিশোরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মফিজুল ইসলাম বলেন, মেয়েটির মায়ের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মেয়েটিকে উদ্ধার করার জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু মেয়েটি ওই ছেলেকে ছাড়া কিছুতেই স্থান ত্যাগ করবেন না । এ অবস্থায় পুলিশ চলে আসে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য