দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপর ফুলবাড়ী পৌর এলাকার নয়াপাড়া গ্রামে বাড়ীর পাশে ডোবায় পানি কচুর চাষ করে স্থানীয় বাজারে কচুর লতি ও কচু বিক্রয় করে ভাগ্য বদলাতে সক্ষম হয়েছে সাদেকুল ইসলাম।

সাদেকুল ইসলাম আগে ফেরি করে ভাংড়ির কেনা-বেচা করত। তাতে তার সংসার চালাতে খুব কষ্ট হতো। বর্তমানে সে বাড়ীর পার্শ্বে পরিত্যাক্ত ১ বিঘার ডোবা জমি বর্গা নিয়ে পানি কচু চাষ করে পরিবারসহ স্বচ্ছল ভাবে জীবন যাপন করছে।

সাদেকুল ইসলাম জানান, শীত,বর্ষা,গরমে প্রতিদিন ঘাড়ে করে ভার নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ভাংড়ির মালামাল সংগ্রহ করে সেই ভাংড়ির মাল বাজারের আড়তে বিক্রয় করে বৌ,বাচ্চা নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যেতো। দু-বেলা দু-মুঠো ঠিকমত খাবার জুটতো না। পানি কচু আবাদ করে প্রতি সপ্তাহে কুচুর লতি তুলে বাজারে বিক্রয় করে বেশ ভালই চলছে সংসার। জমি নিজের হলে আরো বেশি লাভবান হওয়া যেতো।

তার কচু চাষে সাফল্যতা দেখে অনুপ্রাতিন হয়ে পানি কচু চাষ শুরু করেছেন একই গ্রামের মনু মহন্ত।

মনু মহন্ত জানান, সাদেকুল পরিত্যাক্ত ডোবায় পানি কচু চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছে দেখে আমিও এবার আমার পরিত্যাক্ত ডোবায় পানি কচু লাগিয়েছি। যে পরিমান পানি কচু ফলন হয়েছে তাতে বেশ লাভবান হবো বলে আশা করছি।

বাজার ঘুরে দেখা যায় পানি কচুর চেয়ে পানি কচুর লতি‘র গ্রাহক বেশি,বিভিন্ন ভাবে তরকারীতে পানি কচুর লতি ব্যবহার হওয়ায় এর চাহিদা বেশি বলে জানান অনেক ক্রেতায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য