মাসুদ রানা পলক,ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানার শালবাড়ি কশালগাঁও এলাকায় এস আর এম ব্রিকসের বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রায় ৩৫ একর জমির বোরো ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকা।

শুক্রবার ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৩৫ একর জমির বোরো ধান ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ধানের শীষ থাকলেও শীষে ধান না থাকায় এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক চাষি হতাশায় দিন পার করছেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমানে ধানের শীষ বের হয়েছে। ইট ভাটার ধোঁয়ায় আশ পাশের ধান ফসলের ১৫-২০ ভাগ ক্ষতি হয়েছে।

ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের নামের তালিকা বিস্তারিত বর্ণনা সহ প্রস্তুতের কাজ চলছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে তালিকা প্রদান করা হবে। তিনি আরও বলেন, উল্লেখিত ভাটা মালিকদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা যেন শতভাগ ক্ষতিপুরণ পায় সে বিষয়ে যোগাযোগ অব্যাহত আছে। এ বিষয়ে এস আর এম ব্রিকসের স্বত্তাধীকারী রাজু ইসলামের সাথে যোগাযোগ করেও সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি। মুঠো ফোনে কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ধীরেণ, বিষ্টু, আমিন, হুমায়ুন কবীর, আজাদ আলী, আব্দুল আলী অভিযোগ করে বলেন, গত শুক্রবার ঘূর্ণিঝড় ফনী আসার কথা থাকায় আবহাওয়া মেঘলা ছিল। সেই রাতে ভাটার মালিক রাজু ইসলাম ভাটার গ্যাস ছেড়ে দেয়।

সে ভাবছিল সব দোষ ফনীর হবে। কিন্তু ফনীর কোন প্রভাব এলাকায় দেখা না যাওয়ায় রাজুর পরিকল্পনা নষ্ট হয়েছে। আমরা স্পষ্ট ভাবে বুঝেতে পারছি রাজু ইসলামের ভাটার গ্যাসের কারণে ধান নষ্ট হয়ে গেছে।

আমাদের ক্ষতির কথা থাকে বার বার বলার পরেও কোন কাজ হচ্ছে না। ধার দেনা ও দোকানে বাকি কওে ফসল উৎপাদন করেছি। ধান না পেলে পরিবার নিয়ে কি করবো। সে জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষে সুদৃষ্টি কামনা করছি

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য