মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁওঃ আমরা জানি যে আমাদের জীবনে শাকসবজির গুরুত্ব অনেক । এই শাক নিয়মিত না খেলে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে । প্রকৃতপক্ষে এটি কোনো রোগ নয়। বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে । তার একটি কারণ হলো নিয়মিত শাকসবজি না খাওয়া । আর এই কোষ্ঠকাঠিন্য দুরকারি শাক এর এক চাষীর খোঁজ মেলে

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে। তিনি হলেন শমসের আলী। অন্যের জমিতে শাক চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন উপজেলার পৗরশহরের শমসের আলী । স্বামী-স্ত্রী এবং তিন মেয়েসহ পাঁচ সদস্যের পরিবার শমসের আলীর । দুই মেয়ের পড়াশোনাসহ পাঁচ সদস্যের পরিবারে শমসের আলীই একমাত্র উপার্জনক্ষম।

কয়েক বছর আগে শমসের আলী তার পরিবারের খরচ বহন করত অন্যের বাড়ি কিংবা ক্ষেত খামারে কাজ করে অর্থ উপার্জন করে। এতে তার পরিবার কোনো রকম চলত। বর্তমানে তিনি এখন আর অন্যের ক্ষেত -খামার কিংবা বাসা -বাড়িতে কাজ করেন না। বাড়ির পাশে অন্যের জমি নিয়ে এতে প্রায় সারা বছরে শাক আবাদ করে তিনি এখন অনেক স্বাবলম্বী ।শুধু স্বাবলম্বী নন তিনি এখন শাকচাষীদের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বটে । প্রায় প্রতিদিনই দেখা যাই যে তার বাড়িতে শাক কিনতে আসে অনেক মহিলা কারণ তার শাক বাজারের শাকের চেয়ে অনেক ভালো।

সম্প্রতি কথা হয় শমসের আলীর সাথে। তিনি জানান, প্রতি বিঘা জমি এক বছরের জন্য ১০ হাজার টাকায় চুক্তিতে বছরে ৮-১০ বার শাক আবাদ করেন । এতে প্রতিবারে তার খরচ হয় জমি চাষ, বীজ ক্রয়, সেচ দেওয়াসহ প্রায় ৩-৪ হাজার টাকা। আর বাজারে শাকের চাহিদা ও দাম ভাল থাকায় বিক্রি করেন ১৫-১৮ হাজার টাকা। এ হিসেবে এক বছরে তার আয় প্রায় দেড় লক্ষ টাকা।

বছরের বিভিন্ন সময়ের সময়পযোগী শাক তিনি আবাদ করেন। এই শাক আবাদ করে তাকে আর পিছনের দিকে তাকাতে হয়নি। ফলে সুখেই চলছে তার পরিবার ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য